প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
পশ্চিমবঙ্গে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই। যেখানেই বিরোধীরা যে কোনো কর্মসূচি করবে, সেখানেই তাদের বাধাদান করা হবে‌। এমনকি বিরোধী নেতাদের উদ্দেশ্য করে বিশৃংখল পরিস্থিতি তৈরি করারও চেষ্টা করে এই রাজ্যের শাসক দল। বিভিন্ন ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে তেমনটাই অভিযোগ করে বিরোধীরা। আজ রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার পৌছে গিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নিজের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে। যেখানে গিয়ে দেওয়াল লিখন এবং গৃহ সম্পর্ক অভিযানে সামিল হন তিনি। আর সেখানেও তৃণমূলের চূড়ান্ত অসভ্যতা সামনে আসে। যেখানে তৃণমূল কর্মীরা জয় বাংলা স্লোগান দিতে শুরু করেন। পরবর্তীতে এই ব্যাপারে সুকান্তবাবুকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কড়া ভাষায় জবাব দেন সেই সমস্ত তৃণমূল কর্মীদের।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে পরিস্থিতি। রাত পোহালেই আগামীকাল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়ে যাবে। আর তার ফলে আরও বেশি করে স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, কত মানুষের নাম বাদ যেতে চলেছে। ফলে এই আতঙ্ক তৃণমূলের মধ্যে ব্যাপক মাত্রায় কাজ করছে। আর তার ফলেই ক্ষমতা হারানোর ভয় পাচ্ছে এই রাজ্যের শাসক দল বলেই দাবি করছে বিরোধী নেতারা। তাই যেখানেই বিরোধীরা যে কোনো কর্মসূচি করছে, সেখানেই তাদের বাধাদান করা হচ্ছে বলে অভিযোগ। আজ কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরে গিয়েছিলেন। আর সেখানেই তার কর্মসূচিতে তৃণমূল কর্মীদের পক্ষ থেকে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়। যার পাল্টা “লুঙ্গি সামলা” বলে সেই তৃণমূল কর্মীদের কটাক্ষ করেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি। ‌

এদিন ভবানীপুরে সুকান্তবাবুর কর্মসূচিতে তৃণমূলের পক্ষ থেকে জয় বাংলা স্লোগান দেওয়া হয়। আর সেই বিষয় নিয়েই সাংবাদিকরা সুকান্ত বাবুকে প্রশ্ন করেন। আর সেখানেই তিনি বলেন, “ওদের একটাই কথা বলব, তোরা বলবি, জয় বাংলা। আর আমি বলব, লুঙ্গি সামলা।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপির পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছে, এই জয়বাংলা হচ্ছে বাংলাদেশের স্লোগান। আর পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ করার জন্য তৃণমূলের পক্ষ থেকে সেই স্লোগানকে কপি করা হচ্ছে। যা দেশের পক্ষে তো বটেই, বাংলার পক্ষেও অত্যন্ত বিপদজনক। আর এই পরিস্থিতিতে যখন আজ সুকান্ত মজুমদার ভবানীপুরে গিয়েছিলেন, তখন তৃণমূল কর্মীরা তাকে লক্ষ্য করে জয় বাংলা স্লোগান দিতেই পাল্টা কড়া ভাষায় তার জবাব দিলেন এই কেন্দ্রীয় মন্ত্রী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।