প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাত পোহালেই অবশেষে এসআইআর প্রক্রিয়ার পর একটি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে চলেছে। সেই তালিকায় কত মানুষের নাম বাদ যাবে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে চর্চা চলছে। তবে আগামীকাল চূড়ান্ত ভোটার তালিকা বের হলেও, আবার পরবর্তীতে বিচার বিভাগের সঙ্গে যুক্ত আধিকারিকরা যে তথ্যগত অসঙ্গতির নথি যাচাই করছেন, তা প্রকাশ করা হতে পারে। সেক্ষেত্রে সেই তালিকা কবে বের হবে, তা কারোরই জানা নেই। কিন্তু আগামীকাল যে ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে চলেছে, তার মধ্যে দিয়ে অনেক চিত্র পরিষ্কার হয়ে যাবে। তবে এই তালিকায় যদি কারওর নাম না থাকে, তার ভবিষ্যৎ কি! আজ সেই বিষয় নিয়েই মন্তব্য করতে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর চাপ বাড়িয়ে দিলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে আগামীকালের দিনটি যথেষ্ট গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে রাজ্য রাজনীতির ক্ষেত্রে। প্রথম দিন থেকে তৃণমূল কংগ্রেস
এসআইআরের বিরোধিতা করে আসছে। এমনকি এই এসআইআরকে আটকানোর জন্য বহু চেষ্টা এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং শাসক দলের পক্ষ থেকে করা হয়েছে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী নিজে সুপ্রিম কোর্টে পৌঁছে গিয়েছিলেন। তবে শেষ পর্যন্ত এসআইআর বন্ধ হয়নি। আগামীকাল একটি ভোটার তালিকা প্রকাশ হতে চলেছে। তারপরই স্পষ্ট হয়ে যাবে যে, ঠিক কত অবৈধ ভোটারের নামে পশ্চিমবঙ্গ থেকে বাদ যাচ্ছে। তবে আগামীকালের ভোটার তালিকায় যাদের নাম থাকবে না, তাদের কি হবে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন তৈরি হয়েছে। আর সেই বিষয় নিয়েই আজ প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে যে জটিলতা তৈরি হয়েছে এবং যাদের নাম থাকবে না, তার জন্য দায়ী একমাত্র এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বলেই দাবি করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন হয়ত আরও কয়েকদিন সময় নিতেন‌। কিন্তু তারা চূড়ান্ত তালিকা বের করতেন। মমতা ব্যানার্জি সুপ্রিম কোর্টে ছুটে গিয়েছিলেন। কালকের তালিকায় যাদের নাম থাকবে না, তার জন্য দায়ী মমতা ব্যানার্জি। যারা প্রকৃত ভারতীয়, তাদের সকলের নাম ভোটার তালিকায় থাকবে। কোনো সমস্যা হবে না। যে সমস্যা বা জটিলতা তৈরি হয়েছে বা করেছে, এর জন্য দায়ী রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি সুপ্রিম কোর্টে গিয়ে এই অসংখ্য ভোটার লিস্ট বের করানোর ব্যবস্থা করে দিয়েছেন।”