প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- পশ্চিমবঙ্গে ইতিমধ্যেই এসআইআর প্রক্রিয়া প্রায় শেষ পর্যায়ে। চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হয়েছে। বিবেচনাধীন ভোটারদের তালিকায় প্রায় ৬০ লক্ষ মানুষের নাম রয়েছে। তার ফয়সালা কবে হবে, তা কেউ জানে না। তবে তৃণমূল কংগ্রেস আবার এসআইআরের প্রতিবাদে ধর্নায় বসে পড়েছে। ধর্মতলার মেট্রো চ্যানেলে ধর্না দিচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আবার অন্যদিকে বিজেপি দাবি করছে, যতক্ষণ না সম্পূর্ণভাবে এসআইআর প্রক্রিয়া শেষ হচ্ছে এবং তাদের যে ফর্ম সেভেন, যা তারা জমা দিতে পারেনি, যা পুলিশ বাজেয়াপ্ত করেছে এবং বিভিন্ন জায়গায় পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে, সেই সমস্যার যতক্ষণ না সমাধান হয়, ততক্ষণ তারা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবেন না। আর নিজেদের সেই অবস্থানে অনড় থেকে গতকাল আবারও এসআইআরের পক্ষে মন্তব্য করে সমস্যার সমাধান না হলে তারা নির্বাচনে যাবেন না বলেই জানিয়ে দিলেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি।

পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল কংগ্রেসের সবথেকে বড় চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে এসআইআর। তৃণমূল খুব ভালো মতই বুঝতে পারছে যে, এসআইআরের ফলে প্রচুর অবৈধ ভোটারের নাম বাদ গিয়েছে। আর এতদিন এই অবৈধ ভোটারদের ভোটার তালিকায় রেখে তৃণমূল ক্ষমতায় আসতো। ফলে এবার আর সেই চেষ্টা সম্ভব হবে না বুঝেই তৃণমূলের এই গাত্রদাহ বলে দাবি করছে বিরোধীরা। তবে নো এসআইআর, নো ভোট বলে প্রথম দিন থেকেই নিজেদের সিদ্ধান্ত জানিয়ে এসেছে বিজেপি। আর এবার আরও একবার সেই কথা তুলে ধরে নিজেদের দাবি সামনে রাখলেন শমীক ভট্টাচার্য।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির সভাপতি। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমরাও তো বলছি, নো এসআইআর, নো ভোট। হাওড়ার বিভিন্ন জায়গায় আমাদের বিএলএ টু রা আক্রান্ত হয়েছেন। বিএলওদের দিয়ে পরিকল্পিতভাবে জেনুইন ভোটারদের ওপর প্রশ্ন চিহ্ন লাগিয়ে আজকে তাদের নাম বাদ দিয়ে তাদের লাইনে দাঁড় করিয়েছে। এটা তৃণমূলী চক্রান্ত। তাই আমরাও বলছি, আমাদের ফর্ম সেভেন, আমাদের যা অভিযোগ ছিলো, সেগুলো খতিয়ে দেখতে হবে। সেগুলোর শুনানি করতে হবে। তাছাড়া আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করব না। মাঝপথে এসআইআর বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। নো এসআইআর, নো ভোট।”