প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বিজেপি একেবারে তৈরি নির্বাচনের জন্য। পরিবর্তন যাত্রা থেকেই তাদের নেতা-নেত্রীরা এই দাবি করছেন। অন্যদিকে তৃণমূল কংগ্রেস ধর্না দিচ্ছে এসআইআরের প্রতিবাদে প্রচুর মানুষের নাম কাটা হয়েছে, যতক্ষণ না বিবেচনাধীন নামগুলির বিষয়টি পরিষ্কার হবে, ততক্ষণ যেন পশ্চিমবঙ্গে ভোট ঘোষণা না হয়। এই দাবি শাসক দলের পক্ষ থেকে করা হচ্ছে। আর এসবের মধ্যেই রাজ্যে এসে দফায় দফায় বৈঠক করছে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ। সাধারণ মানুষের মধ্যে একটাই প্রশ্ন যে, কবে পশ্চিমবঙ্গের ভোট ঘোষণা হবে? যত দিন যাচ্ছে, ততই দেরি হচ্ছে। তাহলে কি রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেই হবে ভোট? আর তার মধ্যেই এবার কবে নির্বাচন হতে পারে, তার সম্ভাব্য দিন জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে ক্রমশ জটিল হচ্ছে বাংলার রাজনৈতিক সমীকরণ। প্রত্যেকটি রাজনৈতিক দল এখন পথে রয়েছে। তবে সবথেকে বড় প্রশ্ন, নির্বাচন কি সময়ের মধ্যেই হবে, নাকি রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেই ভোট হবে এই রাজ্যে? যেভাবে এসআইআরকে কেন্দ্র করে বিশৃঙ্খলার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তাতে নির্বাচন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে এসে এবার শান্তিপূর্ণ এবং ভয়মুক্ত নির্বাচন হবে বলে জানিয়ে দিয়েছে। রীতি অনুযায়ী, তারা দিল্লি ফিরে যাওয়ার পরেই ভোট ঘোষণা হয়ে যাওয়ার কথা। আর এই পরিস্থিতিতে গতকালই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন ঘোষণা নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচন নিয়ে তিনি বলেন, “যদি ঐক্যবদ্ধ হয়ে সংবিধানকে বাঁচাতে চান, তাহলে এই সরকারকে পরিবর্তন করতে হবে। আর মাত্র ৬ সপ্তাহ আছে এই সরকারের। পয়লা বৈশাখের পরেই যে কোনো দিন ভোট হবে। আমরা কয়েকদিনের মধ্যেই নির্ঘণ্ট পেয়ে যাব।” অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারীর কথার মধ্যে দিয়ে একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে যে, রাষ্ট্রপতি শাসন নয়, এই সরকারের মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই পশ্চিমবঙ্গে নির্বাচন হতে চলেছে। এখন কমিশনের ফুল বেঞ্চ রাজ্যে বৈঠক করার পর দিল্লি ফিরে গিয়েই ভোটের নির্ঘন্ট ঘোষণা করে কিনা, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।