প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- এমনিতেই তো এসআইআরের আতঙ্কে ঘুম উড়েছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। তিনি আবার ধরনায় বসে পড়েছেন। তার মধ্যে বিজেপিকে কি করে সামলাবেন, এসআইআরের বিরুদ্ধে কি করে লড়বেন? নিজের দলের মধ্যেই এমন অনেকই রয়েছে, যাদের নিয়ে রীতিমত চিন্তা শুরু হয়েছে তৃণমূল নেত্রীর। যত সময় এগিয়ে আসছে নির্বাচনের, ততই তিনি কাউকে আর বিশ্বাস করতে পারছেন না। একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত আস্থাভাজন বলে পরিচিত রাজ্যের হেভিওয়েট মন্ত্রী মলয় ঘটকের ওপর এবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অত্যন্ত অসন্তুষ্ট বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। যার ফলে জল্পনা তীব্র হয়েছে যে, তাহলে কি এবার মলয় ঘটক তৃণমূল ত্যাগ করার মত সিদ্ধান্ত নিতে পারেন? কিন্তু এখনও পর্যন্ত এই সমস্ত কিছু জল্পনার পর্যায়েই রয়েছে। সেই ভাবে তার দলবদল সংক্রান্ত কোনো খবর সামনে আসেনি।

প্রসঙ্গত, ২৬ এর নির্বাচনের আগে পশ্চিমবঙ্গে রীতিমত নিত্য নতুন খবর আসছে। তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন ধর্নায় বসে আছেন এসআইআরের বিরুদ্ধে। যদিও বা তা নিয়েও সাধারণ মানুষের মধ্যেই প্রশ্ন রয়েছে। এসআইআরকে আটকে তিনি কার সুবিধা করে দিতে চাইছেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে বিরোধীরা। আর তার মধ্যেই খবর পাওয়া গেল যে, তৃণমূলের মধ্যেই এবার মলয় ঘটককে নিয়ে চরম অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে সেই মলয় ঘটকের কাজে অত্যন্ত অসন্তুষ্ট। যার ফলে তার কাছ থেকে আইন দপ্তর নিয়ে নিয়েছেন এই রাজ্যের প্রশাসনিক প্রধান।

সূত্রের খবর, রাজ্যের মন্ত্রী মলয় ঘটকের একাধিক কাজে অসন্তুষ্ট তৃণমূল নেত্রী। একদিকে তার হাতে আইন দপ্তর এবং অন্যদিকে শ্রম দপ্তর রয়েছে। তবে সাম্প্রতিককালে মলয় ঘটকের নিষ্ক্রিয়তা প্রশ্ন তুলে দিয়েছে দলের অন্দরে। এমনকি তার সঙ্গে বিজেপির ঘনিষ্ঠতা রয়েছে বলেও বিভিন্ন মহল থেকে শোনা যাচ্ছে। আর তার পরিপ্রেক্ষিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সেই মলয় ঘটকের হাতে থাকা আইন দপ্তর নিজের হাতে নিয়ে নিয়েছেন বলে খবর পাওয়া গিয়েছে। যদিও বা এই ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোনো সরকারি বিজ্ঞপ্তি সামনে আসেনি। এমনকি মলয় ঘটক সম্প্রতি একদিন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ধর্নায় থাকলে তারপর আর তাকে সেই ধারণা কর্মসূচিতে দেখতে পাওয়া যায়নি। তাই ক্রমশ গুঞ্জন বাড়ছে যে, তাহলে কি মলয়বাবু এবার বড় কোনো সিদ্ধান্ত নিতে চলেছেন? সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।