প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনের আগে তৃণমূল কংগ্রেস চেষ্টা করছে, নিজেদের প্রার্থী তালিকায় একাধিক নতুন মুখ নিয়ে আসার। অন্যদিকে বিজেপিও কোনোরকম ভাবেই এবার বাংলার জয়কে হালকা ভাবে নিতে নারাজ। তারা সর্বশক্তি দিয়ে সমস্ত বিধানসভা কেন্দ্রে যাকে প্রার্থী করলে ভালো হয়, সেই রকম মুখ সামনে আনার চেষ্টা করছে। ইতিমধ্যেই বিজেপির প্রার্থী তালিকা খুব দ্রুত প্রকাশ করা হতে পারে বলেই খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর এসবের মধ্যেই যারা বিজেপির এতদিন বিধায়ক ছিলেন, তারা কি টিকিট পাচ্ছেন? নাকি সেই সমস্ত জায়গায় নতুন কোনো মুখ আসছে? নতুন মুখের মধ্যেও কি বড় কোনো চমক থাকছে? এই সমস্ত প্রশ্ন বিভিন্ন মহলে ঘোরাফেরা করছে। তবে দলের বাইরে যে শুভেন্দুবাবু কোনো কথা বলেন না, তা তিনি আগেও বলেছেন। তাই সাংবাদিকরা বারবার তার কাছ থেকে সেই বিষয়টি জানতে চাইলেও তিনি কিছু না বললেও অনেক কিছু যেন ইঙ্গিতপূর্ণ ভাবে বলে দিলেন। এমনকি শুভেন্দুবাবুর বডি ল্যাঙ্গুয়েজও বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, এবার বিজেপির পক্ষ থেকে যাদের যাদের প্রার্থী করা হচ্ছে, তাদের জয় কার্যত নিশ্চিত।

গতকাল দিল্লিতে দফায় দফায় বৈঠক করে বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। যেখানে শুভেন্দু অধিকারী, শমীক ভট্টাচার্য এবং সুকান্ত মজুমদার উপস্থিত ছিলেন। আর সেখানেই প্রার্থী তালিকা নিয়ে বিশদে আলোচনা হয়েছে বলে খবর। আর সাংবাদিকরা বারবার করে শুভেন্দু অধিকারীর কাছে জানতে চান যে, প্রার্থী তালিকা নিয়ে কি কোনো আলোচনা হয়েছে? কিন্তু শুভেন্দুবাবু অতীতেই জানিয়ে দিয়েছেন যে, প্রার্থী কোনো ফ্যাক্টর নয়। নরেন্দ্র মোদী এবং পদ্মফুলকে দেখেই সাধারণ মানুষ এবার ভোট দেবেন। তবে নতুন মুখ প্রার্থী তালিকায় জায়গা পাবে কিনা, সেই ব্যাপারেই এবার বড় মন্তব্য করে বসলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই সাংবাদিকরা তার কাছে বারবার করে জানতে চান যে, প্রার্থী তালিকায় কোনো নতুন মুখ আসছে কিনা? আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “আপনাদের সেটা না ভাবলেও চলবে। এবারে প্রার্থী একেবারেই গৌন।” বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুভেন্দু অধিকারী যে ঝাঁঝালো মুডে, যে আত্মবিশ্বাসের সহকারে এই প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন, তাতে তার বডি ল্যাঙ্গুয়েজই বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, তিনি বিজেপির যে প্রার্থী তালিকা তৈরি হচ্ছে, তাতে অত্যন্ত খুশি। আর এই প্রার্থী তালিকা নিয়ে যদি লড়াই হয়, তাহলে তৃণমূলকে এক ঘরে করে দিতে যে দু মিনিট সময় লাগবে না, সেই ব্যাপারে যথেষ্ট আত্মবিশ্বাসী রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। দিনের শেষে তেমনটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।