প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-দীর্ঘ কয়েক বছরের কুশাসন, নিয়োগ দুর্নীতি আর প্রশাসনিক উদাসীনতার অবসান ঘটিয়ে সাধারণ মানুষের ঘরে সুশাসন পৌঁছে দিতে বদ্ধপরিকর নতুন রাজ্য সরকার। আজ, শনিবার সল্টলেকের সেক্টর ৫-এ অবস্থিত রাজ্য বিজেপি সদর দফতরে ফের আয়োজিত হল মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর অত্যন্ত জনপ্রিয় কর্মসূচি “জনতার দরবার”। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতির মর্যাদা রেখে, ক্ষমতার অহংকার দূরে সরিয়ে রেখে, খোদ মুখ্যমন্ত্রী যেভাবে সাধারণ মানুষের দরজায় এসে তাঁদের অভাব-অভিযোগ শুনছেন, তা বাংলার রাজনৈতিক ইতিহাসে এক নজিরবিহীন অধ্যায় তৈরি করেছে।
বিগত সরকারের আমলে যোগ্য হয়েও যাঁরা রাজপথে দিনের পর দিন চোখের জল ফেলেছেন, আজ তাঁরা আশার আলো দেখতে পাচ্ছেন এই দরবারে। আজ সকাল থেকেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কাতারে কাতারে মানুষ সল্টলেকের কার্যালয়ে ভিড় জমান। বিশেষ করে এসএসসি (SSC) ও টেট (TET) উত্তীর্ণ চাকরিপ্রার্থী, বঞ্চিত স্কুল শিক্ষক এবং নার্সিং সংগঠনের প্রতিনিধিরা তাঁদের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার খতিয়ান তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রীর দরবারে। মুখ্যমন্ত্রী অত্যন্ত ধৈর্য সহকারে প্রত্যেকের কথা শোনেন, তাঁদের চোখের জল মোছান এবং দ্রুত আইনি ও প্রশাসনিক সমাধানের আশ্বাস দেন।
দলমত নির্বিশেষে সাধারণ মানুষ আজ বুঝতে পারছেন যে রাজ্যে একটি “জনগণের সরকার” প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, যেখানে প্রতিটি নাগরিকের গুরুত্ব রয়েছে। বিগত জমানার প্রাতিষ্ঠানিক দুর্নীতিতে পিষ্ট হওয়া রাজ্যবাসীকে সুরাহা দিতে মুখ্যমন্ত্রী প্রতিটি অভিযোগ সরাসরি নথিভুক্ত করার এবং তার ওপর দ্রুত অ্যাকশন নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন। কোনো মধ্যস্বত্বভোগী বা দালালের চক্র ছাড়াই সরাসরি রাজ্যের সর্বোচ্চ প্রশাসনিক প্রধানের সাথে সাধারণ মানুষের এই মেলবন্ধন বাংলার বুকে এক নতুন সূর্যোদয়ের বার্তা দিচ্ছে।
উপস্থিত সাধারণ মানুষের বক্তব্য, “আমরা আগে এমন মুখ্যমন্ত্রী দেখিনি, যিনি আমাদের দুঃখ বোঝার জন্য এভাবে সাধারণ মানুষের মাঝে এসে বসেন।” সল্টলেকের এই জনতার দরবার আজ স্পষ্ট করে দিল—ডবল ইঞ্জিনের ভাবধারায় অনুপ্রাণিত হয়ে সোনার বাংলা গড়ার লক্ষ্যে এই সরকার সাধারণ মানুষের পাশে পাহাড়ের মতো অটল দাঁড়িয়ে রয়েছে।