প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-গত ১৭ জুন বাগনানের সন্তোষপুরে বিজেপি কর্মী প্রশান্ত দে-র নৃশংস হত্যাকাণ্ডের পর থেকেই পুরো ঘটনার ওপর ব্যক্তিগতভাবে কড়া নজর রাখছিলেন খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। এদিন বিকেলে নিহতের পরিবারে গিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি নিজেই এই চাঞ্চল্যকর তথ্য জানান। মুখ্যমন্ত্রী স্পষ্ট করে দেন যে, ঘটনাটি ঘটার প্রথম দিন থেকেই প্রশাসনের উচ্চস্তরে প্রতিনিয়ত এই মামলার অগ্রগতি নিয়ে তদারকি চলছিল।
এদিন সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় মুখ্যমন্ত্রী জানান, গত ১৭ জুনের এই মর্মান্তিক ঘটনার খবর পাওয়ার পর থেকেই তিনি পুলিশ প্রশাসনের শীর্ষ কর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন। ঘটনাটিকে কোনো সাধারণ অপরাধ হিসেবে না দেখে অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে তদন্ত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল সরকারের তরফ থেকে। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “১৭ জুনের সেই কালো দিনটির পর থেকেই আমি নিজে পুরো পরিস্থিতির ওপর কড়া নজর রাখছিলাম। কেসটি যাতে দ্রুত সমাধান হয় এবং দোষীরা যাতে কোনো ফাঁকফোকর দিয়ে পার না পেয়ে যায়, তার জন্য পুলিশকে কড়া নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল।”
শুভেন্দু অধিকারী আরও জানান, তাঁর সরাসরি নির্দেশের পরেই জেলা পুলিশ দ্রুত স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম বা সিট (SIT) গঠন করে তল্লাশি অভিযান শুরু করে। যার ফলস্বরূপ ইতিমধ্যেই এই মামলায় যুক্ত ১০ জন অভিযুক্তকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়েছে।
মুখ্যমন্ত্রী আজ নিহত কর্মীর পরিবারকে আশ্বস্ত করে বলেন, তদন্তের গতিপ্রকৃতি তিনি আগামী দিনেও নিজে মনিটর করবেন। পলাতক বাকি আসামিদের গ্রেফতার না করা পর্যন্ত প্রশাসন যে শান্ত হয়ে বসবে না, আজ বাগনান সফর থেকে মুখ্যমন্ত্রী সেই বার্তা অত্যন্ত পরিষ্কার করে দিলেন।