প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-২১শে জুলাইয়ের শহিদ দিবসের মহাপ্রস্তুতি ঘিরে হঠাৎ করেই পারদ চড়ল কলকাতার মেয়ো রোডে। পুলিশের অনুমতি মেলার পরেই আর এক মুহূর্ত সময় নষ্ট করতে রাজি নয় ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন তৃণমূল শিবির। সোমবার দুপুরে সবাইকে চমকে দিয়ে সশরীরে মেয়ো রোডের গান্ধী মূর্তির পাদদেশে পৌঁছে গেলেন বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে যুদ্ধকালীন তৎপরতায় শুরু হয়ে গিয়েছে সমাবেশস্থলের মূল পরিকাঠামো গড়ার কাজ।
এদিনের এই হাই-ভোল্টেজ পরিদর্শনে ঋতব্রতর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য, ফিরহাদ হাকিম, অরূপ রায়, সন্দীপন সাহা এবং দেবাশিস কুমারের মতো প্রথম সারির একঝাঁক শীর্ষ নেতা। মঞ্চ বাঁধার কাজ কতটা এগিয়েছে, বৃষ্টির হাত থেকে বাঁচতে কী ধরনের ওয়াটারপ্রুফ শেড ব্যবহার করা হচ্ছে এবং ডেকোরেটররা কীভাবে কাজ করছেন—সবকিছু অত্যন্ত খুঁটিয়ে দেখেন নেতারা।
প্রস্তুতি খতিয়ে দেখার মাঝেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় একটি বড় রাজনৈতিক বার্তা দেন। তিনি বলেন, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যদি এই সভায় এসে আমাদের গাইড করতে চান, তবে তাতে কারোর কোনো আপত্তি নেই। উনি আসতেই পারেন।” তবে সমান্তরালভাবে অন্য শিবিরের হাইকোর্টে যাওয়া এবং ধর্মতলায় ফিতে নিয়ে মাপজোখ করাকে তীব্র কটাক্ষ করে তিনি স্পষ্ট ভাষায় বলেন, “আমরা এখানে ফিতে নিয়ে মাপতে আসিনি।”
ধর্মতলার ভিক্টোরিয়া হাউসের সামনে সভার অনুমতি না মেলায় ঋতব্রত শিবির বিকল্প হিসেবে মেয়ো রোডের আবেদন জানিয়েছিল এবং প্রশাসনের তরফে দ্রুত তার সবুজ সংকেতও দিয়ে দেওয়া হয়। ২১শে জুলাইয়ের আর মাত্র কয়েকদিন বাকি থাকায়, আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে বসে না থেকে আজ থেকেই সমাবেশ সফল করতে ময়দানে অল-আউট ঝাঁপিয়ে পড়ল ঋতব্রত শিবির।