প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
আজ বিতর্কিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক হুমায়ুন কবীর। সকলের একটাই প্রশ্ন, তিনি মসজিদ করতেই পারেন। কিন্তু বাবরের নামে কেন মসজিদ করছেন? কার সুবিধা করে দেওয়ার চেষ্টা করছেন সাসপেন্ডেড তৃণমূলের এই বিধায়ক? বিজেপি দাবি করছে, এটা তৃণমূলের মেরুকরণের রাজনীতি। তারা ভোটের আগে হিন্দু ভোট পাওয়ার জন্য লোক দেখানো নাটক করে হুমায়ুনবাবুকে সাসপেন্ড করেছেন। বাস্তবে তারা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গেই রয়েছেন। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, হুমায়ুন কবীর বিজেপির সুবিধে করে দিতে চাইছেন। আর এসবের মধ্যেই না তৃণমূল, না বিজেপি, তিনি যে আলাদা দল গঠন করতে চলেছেন, তা ইতিমধ্যেই জানিয়ে দিয়েছেন ভরতপুরের বিধায়ক। আর নিজের অবস্থানে অনড় থেকে আজ বাবরি মসজিদের শিলান্যাসের মঞ্চ থেকে তা নির্মানের জন্য যে প্রচুর অর্থ তাকে সহযোগিতা করা হচ্ছে, সেই নিয়ে বড় মন্তব্য করলেন হুমায়ুন কবীর।

বিগত কয়েকদিন ধরে হুমায়ুন কবীরের এই বাবরি মসজিদের শিলান্যাসকে কেন্দ্র করেই সরগরম ছিল রাজ্য রাজনীতি। তৃণমূল এবং বিজেপি, দুই পক্ষই একে অপরকে দোষারোপ করতে শুরু করেছে। আর তার মধ্যেই আজ সেই বিতর্কিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস করেন হুমায়ুন কবীর। তবে অনেকের মধ্যেই প্রশ্ন ছিল যে, কারা তাকে এত টাকা দিচ্ছে? কোথা থেকে আসছে এই বিপুল খরচের মসজিদ নির্মাণের অর্থ? তলায় তলায় কি কোনো রাজনৈতিক দলের পক্ষ থেকে তিনি সহযোগিতা পাচ্ছেন? আর এই ব্যাপারে সেই শিলান্যাসের মঞ্চ থেকেই রীতিমত ধোঁয়াশা বাড়ালেন হুমায়ুন কবীর।

এদিন মুর্শিদাবাদে বাবরি মসজিদ শিলান্যাসের মঞ্চ থেকেই মসজিদ নির্মাণের ক্ষেত্রে যে অর্থের অভাব হবে না, তা স্পষ্ট করে দেন হুমায়ুনবাবু। তিনি বলেন, “বাবরি মসজিদ নির্মাণে টাকার অভাব হবে না। রাজ্যের প্রায় সব জেলা থেকেই বহু মানুষ আর্থিক সাহায্য করবেন। একটি সংস্থা ৮০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। তাই মসজিদ নির্মাণে টাকার কোনো অভাব হবে না।”