প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- একসময় জঙ্গলমহলকে নিজের আত্মার আত্মীয় বলে তাদের ভোট নিয়ে ক্ষমতায় এসেছিলেন রাজ্যের বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়. আর জঙ্গল মহলের সঙ্গে তার সংযোগ স্থাপনের ক্ষেত্রে যে মানুষটির সবথেকে বড় অবদান ছিলো, তিনি রাজ্যের বর্তমান বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। সামনেই ২০২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে মানুষের যে মতামত সামনে আসছে, তাতে সকলেই যে তৃণমূল সরকারের বিদায় চাইছেন, তা স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্যদিকে সমাজের বিভিন্ন স্তরের মানুষের কাছাকাছি পৌঁছে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা পরিবর্তনের বিষয়টি নিশ্চিত করার চেষ্টা করছেন। সমাজের প্রত্যেকটি স্তরের মানুষের আপন হওয়ার চেষ্টা করছেন তিনি। আজ পবিত্র মকর উৎসব উদযাপনের দিনেও ঝাড়গ্রামে পৌঁছে গেলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রত্যেকটি সভা থেকেই দাবি করেন যে, জঙ্গলমহল থেকে শুরু করে মেদিনীপুরের বিস্তীর্ণ এলাকার মানুষ তাকে নিজেদের ঘরের লোক বলে মনে করেন। তাই এই সমস্ত আদিবাসী থেকে শুরু করে সমাজের গরীব প্রান্তিক মানুষদের সঙ্গে তাঁর আত্মার আত্মীয়ের মত সম্পর্ক। আর সেই কথা যে একেবারে অক্ষরে অক্ষরে ঠিক, তা এবার শুভেন্দু অধিকারীর ঝাড়গ্রামে পৌঁছে যাওয়া এবং তাকে সেখানকার আদিবাসী সম্প্রদায়ের মানুষরা যেভাবে আপন করে নিলেন, তার মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে গেল। যেখানে দেখা যাচ্ছে যে, ঝাড়গ্রামে এই মকর উৎসব উদযাপনে সাধারণ মানুষদের সঙ্গে মিলিত হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এমনকি টুসু গান গেয়ে সকলের সঙ্গে সুরে সুর মেলাতেও দেখা গেল তাকে।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শুধুমাত্র ভোটের জন্য নয়। মানুষের পাশে সব সময় থাকতে হয়। মানুষের বিপদে আপদে তাদের সুখে দুঃখে তাদের শরিক হতে হয়। তাই রাজনীতির বাইরেও এই জঙ্গলমহলের মানুষদের সঙ্গে একটা আলাদা আত্মিক সম্পর্কের কথা বারবার করে ব্যাখ্যা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আজ পবিত্র মকর উৎসব উদযাপনেও সেখানকার মানুষের কাছে পৌঁছে গিয়ে তিনি বুঝিয়ে দিলেন, তিনি প্রকৃত অর্থেই এদের আত্মার আত্মীয়। আর রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে কাছে পেয়ে উৎসবের দিনে মুখে যেন বাড়তি হাসি ফুটছে ঝাড়গ্রামের মানুষদের।