প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
গোটা দেশ আজ তাকিয়ে রয়েছে সুপ্রিম কোর্টের দিকে। কারণ সেখানে আজ গুরুত্বপূর্ণ মামলার শুনানি রয়েছে। সম্প্রতি কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি আইপ্যাকের অফিস এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে তল্লাশি চালাচ্ছিলেন। আর সেই সময় সেখানে গিয়ে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এবং বেশ কিছু প্রশাসনিক কর্তা নথিপত্র নিয়ে আসেন। স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন উঠতে শুরু করে, একজন মুখ্যমন্ত্রী কি করে এই কাজ করতে পারেন? এটা কি আইন ভঙ্গ করা নয়? কেন তার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? ইতিমধ্যেই গতকাল কলকাতা হাইকোর্টের তৃণমূলের মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে। আর আজ সুপ্রিম কোর্টে এই মেগা মামলার শুনানি রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সেই শুনানিতে শীর্ষ আদালত কি নির্দেশ দেয়, তার দিকে নজর রয়েছে রাজ্যবাসীর।

গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে এই মামলার শুনানি হয়েছিল। কিন্তু সেখানে তৃণমূল যথেষ্ট বেকায়দায় পড়ে গিয়েছে। তাদের পক্ষ থেকে নথি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বলে এতদিন যে দাবি করা হচ্ছিল, তাকে কার্যত অস্বীকার করেছে ইডি। তাদের বক্তব্য যে, তারা কোনো নথি বাজেয়াপ্ত করেননি। আর এসবের মধ্যেই গতকাল কলকাতা হাইকোর্টে তৃণমূলের করা মামলার নিষ্পত্তি হয়ে গিয়েছে।‌ আজ সুপ্রিম কোর্টে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি যে পিটিশন দায়ের করেছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে শুনানি হওয়ার কথা। আর সেই শুনানিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে নথি নিয়ে যাওয়ার মত যে গুরুতর অভিযোগ করা হয়েছে, তার পরিপ্রেক্ষিতে শীর্ষ আদালত বড় কোনো নির্দেশ দেয় কিনা, তা নিয়েও বিভিন্ন মহলে শুরু হয়েছে চর্চা।

সূত্রের খবর, আজ সুপ্রিম কোর্টে আইপ্যাক মামলার শুনানি হতে পারে। যেখানে বিচারপতি প্রশান্ত কুমার মিশ্র এবং বিচারপতি বিপুল এম পাঞ্চোলির বেঞ্চে এই শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। একাংশ বলছেন, অবিলম্বে এই মামলার শুনানির ভিত্তিতে একটা বড় কোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা উচিত। কেননা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক পদে বসে থেকে যে কাজ করেছেন, তা কোনোমতেই মেনে নেওয়া যায় না। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তল্লাশি চলাকালীন তিনি কোনো এক জায়গায় গিয়ে নথিপত্র যেভাবে নিয়ে এসেছেন, তা তো ডাকাতির সমতুল্য। তাই এই পরিস্থিতিতে ইডির পক্ষ থেকে সুপ্রিম কোর্টে মামলা করা হয়েছে, তার শুনানিতে আজ শীর্ষ আদালত কি বলে, সেদিকেই নজর থাকবে গোটা রাজ্যবাসীর।