প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- একসময় সিঙ্গুরে আন্দোলনের কারণে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রান্তনীতির কারণে সেখানে কৃষি জমির যেমন সর্বনাশ হয়েছে, ঠিক তেমনই শিল্প পর্যন্ত হয়নি। যার ফলে এখন সেখানকার মানুষরা, যারা একসময় মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথায় আন্দোলন করেছিলেন, তারা এখন আফসোস করছেন। সকলেই চাইছেন, সিঙ্গুরের মাটিতে শিল্প স্থাপন হোক। তবে তৃণমূল সরকারের আমলে যে সেই শিল্প হবে না, তা খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছেন সিঙ্গুরের কৃষকরা। আগামী ১৮ জানুয়ারি সেই সিঙ্গুরের মাটিতেই সভা করবেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী তার আগে গতকাল সেখানে গিয়ে এলাকাবাসীদের আশ্বস্ত করে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার দাবি করেছেন, বিজেপি সরকার এলেই সিঙ্গুরে শিল্প স্থাপন হবে, ফিরে আসবে টাটা। আর এই ইস্যুতে এবার সুকান্ত মজুমদারের পাশে দাঁড়িয়ে বড় বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
গতকাল সিঙ্গুরে গিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সভার জন্য সকলকে বাড়ি বাড়ি গিয়ে আমন্ত্রণ জানান রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। যেখানে বারবার করে উঠে আসে, এক সময় সিঙ্গুরের আন্দোলনের কথা। এমনকি টাটাকে শিল্প স্থাপনের জন্য বলা হলেও সেই আন্দোলনের কারণে তারা যেভাবে রাজ্য ছেড়ে দিয়েছে, তা নিয়ে হতাশার কথা। তবে তৃণমূল সরকার থাকলে যে রাজ্যে শিল্প হবে না, তা সকলের কাছেই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। আর তাই বিজেপি ক্ষমতায় এলেই টাটাকে ফিরিয়ে আনা হবে বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন সুকান্ত মজুমদার। আর কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর সুরেই সুর মিলিয়ে টাটাকে ফিরিয়ে আনা যে বিজেপির অন্যতম অঙ্গীকার, তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন ঝাড়গ্রামে একটি অনুষ্ঠানে যান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই সুকান্ত মজুমদার বিজেপি ক্ষমতায় এলে টাটা ফিরে আসবে বলে যে মন্তব্য করেছেন, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “এটা আমাদের ঘোষিত অবস্থা। সুকান্তবাবু যা বলেছেন, আমিও তাই বলবো। সিঙ্গুরে জমি পাওয়া গেলে স্বাগত। তবে টাটার সঙ্গে সারা ভারতের সেন্টিমেন্ট রয়েছে। টাটা ছাড়া কখনও শিল্পায়ন হয় না। টাটা ছাড়া রাজ্যের বেহাল অর্থনীতি ঘুরে দাঁড়ানো যায় না। টাটাকে ফেরানোর দায়িত্ব আমাদের সকলের। বিজেপি সেটা করে দেখাবে। এটা আমাদের অঙ্গীকার।”