প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এসআইআর প্রক্রিয়ায় শুনানি শুরু হতে না হতেই রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত উত্তপ্ত হতে শুরু করেছে। কারা এই প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে বাধাদান করছে এবং কারা পরিস্থিতিকে উত্তপ্ত করছে, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠছে। বিরোধীরা দাবি করছে, এর পেছনে রাজ্যের শাসক দল যেহেতু এসআইআরের বিরোধিতা করতে শুরু করেছে, তাই তারাই পরিকল্পনামাফিক এই কাজ করাচ্ছে। গতকাল ফারাক্কায় তৃণমূল বিধায়কের নেতৃত্বে বেশ কিছু মানুষ গিয়ে তান্ডব চালিয়েছিলেন। আর আজ উত্তপ্ত হয়ে উঠলো উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়া এলাকা।

গতকাল ফারাক্কার পর ফের আজ রাজ্যের আরও এক প্রান্তে এসআইআরের শুনানির প্রতিবাদে কিছু মানুষ রাস্তায় নামেন। শুধু রাস্তায় নামাই নয়, তারা রীতিমত এই নোটিশ দেওয়ার ঘটনার বিরোধিতা করে বিডিও অফিসে ঢুকে ভাঙচুর চালান। আইন হাতে তুলে নিয়ে বিডিও অফিসের ভেতরে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতির সৃষ্টি করেন কিছু মানুষ বলে অভিযোগ। তবে এরা কারা, তা নিয়েই এখন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। অনেকে বলছেন, যারা এই ঘটনার সঙ্গে যুক্ত, তারা সাধারণ ভোটার। বারবার করে তাদের নোটিশ দেওয়া হচ্ছে এবং ডেকে পাঠানো হচ্ছে। আর সেই কারণেই তারা এই ধরনের বিক্ষোভ দেখিয়েছেন। তবে এক মহল থেকে এই ধরনের যুক্তি দেওয়া হলেও, অন্য মহল অবশ্য বৃহত্তর চক্রান্ত রয়েছে বলেই যোগ খুঁজে পাচ্ছেন।

এক পক্ষের দাবি, কোনো বিষয়ে কারওর মত আলাদা থাকতেই পারে। কিন্তু তাই বলে আইন হতে তুলে নেওয়া কি ধরনের নিয়ম? গতকাল ফারাক্কার পর আজ উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ায় বিডিও অফিসে ঢুকে কিছু মানুষ যেভাবে বিক্ষোভ দেখালেন, যেভাবে তাণ্ডব চালালেন, তারপরেও কেন বসে রয়েছে পুলিশ প্রশাসন? কেন এদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না? আর নির্বাচন কমিশন যখন গোটা প্রক্রিয়াকে সুষ্ঠুভাবে পরিচালিত করতে চাইছে, তখন কিছু মানুষ এর বিরোধিতা করে যেভাবে সরকারি অফিসে ঢুকে তান্ডব চালাচ্ছেন, তাতে তো অবিলম্বে নির্বাচন কমিশনেরও কড়া পদক্ষেপ গ্রহণ করা উচিত। সব মিলিয়ে গোটা পরিস্থিতি কোথায় গিয়ে দাঁড়ায়, সেদিকেই নজর থাকবে সকলের।