প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
সম্প্রতি আইপ্যাকের দপ্তর এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার পৌঁছে যাওয়া এবং তারপর সেখানে মুখ্যমন্ত্রী পৌঁছে যাওয়া এবং সেখান থেকে বেশ কিছু নথি নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর বেরিয়ে আসার ঘটনায় উত্তাল হয়ে ওঠে রাজ্য রাজনীতি। গোটা বিষয়টি পৌঁছে যায় সুপ্রিম কোর্টে। আজ সেই সুপ্রিম কোর্টের শুনানিতে একাধিক বিষয় উঠে আসে। যেখানে এই বক্তব্য উঠে এসেছে যে, ইডি আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই তাদের কাজে বাধা দেওয়া এবং তাদের চাপে রাখার জন্যই যে এই এফআইআর করা হয়েছে, আদালতে সেই কথাই তুলে ধরলেন সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা।

এতদিন তৃণমূলের পক্ষ থেকে দাবি করা হচ্ছিল যে, কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা নাকি প্রতিহিংসা পরায়ণভাবে কাজ করছে। এমনকি আইপ্যাকের দপ্তরে এবং প্রতীক জৈনের বাড়িতে তারা পৌঁছে গিয়ে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ নথি তারা বাজেয়াপ্ত করার চেষ্টা করেছে। তবে তারা যে কোনো নথি বাজেয়াপ্ত করেনি, এদিন তা আদালতে স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবীরা। পাশাপাশি যখন তারা নিরপেক্ষভাবে একটি বিষয় তদন্ত চালাচ্ছেন, তখন সেখানে ঢুকে মুখ্যমন্ত্রী প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে যে নথি নিয়ে চলে এসেছেন, তাকেও অনেকে ডাকাতির সমতুল্য বলে মনে করছেন। আর এই পরিস্থিতিতে আজ সুপ্রিম কোর্টে যখন মামলার শুনানি চলছে, তখন যে ইডি আধিকারিকরা তদন্ত করছিলেন, তাদের বিরুদ্ধেই যেভাবে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে, তা নিয়ে আদালতে নিজেদের বক্তব্য জানায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা।

এদিন সুপ্রিম কোর্টে সলিসিটর জেনারেল তুষার মেহতা নিজের বক্তব্য পেশ করার সময় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার বিরুদ্ধে যেভাবে এফআইআর করা হয়েছে, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। তিনি বলেন, “আইন অনুযায়ী কোনো সরকারি কর্মচারী যদি সৎ উদ্দেশ্যে নিজের দায়িত্ব পালন করতে গিয়ে কাজ করেন, তাহলে তার বিরুদ্ধে ফৌজদারী মামলা চালানো যায় না। ইডির পক্ষ থেকে যে তল্লাশি অভিযান করা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ সৎ উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে। কিন্তু ইডির অফিসারদের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছে, যাতে তাদের ওপর চাপ সৃষ্টি করা যায়।”