প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বুকে যখন নির্বাচন কমিশন একটি সাংবিধানিক সংস্থা হিসেবে নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে স্বচ্ছ করার জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে, তখন কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েছেন। প্রথম দিন থেকেই এসআইআরের বিরোধিতা করতে দেখা যাচ্ছে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেসকে। আর বর্তমানে যখন এসআইআর প্রক্রিয়ায় শুনানি হচ্ছে, তখন ফারাক্কা থেকে শুরু করে চাকুলিয়া, বিভিন্ন জায়গায় কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। এমনকি ট্রেন অবরোধ করা থেকে শুরু করে বিডিও অফিসে গিয়ে ভাঙচুর চালাতেও দেখা যাচ্ছে একটা অংশকে। আর এরা যে প্রশ্রয় পাচ্ছে রাজ্যের শাসক দলের মদতে, তা বুঝতে বাকি নেই বিরোধীদের। কেননা প্রথম দিন থেকেই শাসক দল এসআইআরের বিরোধিতা করছে। তাই তারাই পরিকল্পিতভাবে কিছু মানুষকে এইভাবে রাস্তায় নামিয়ে দিয়ে পরিস্থিতিকে অশান্ত করছে এবং পুলিশ প্রশাসন নীরবে রয়েছে বলে গোটা ঘটনায় সোচ্চার হলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

সম্প্রতি ফারাক্কায় তৃণমূল বিধায়কের নেতৃত্বে কিছু মানুষ বিডিও অফিসে গিয়ে ভাঙচুর চালায়। গতকাল দেখা যায় উত্তর দিনাজপুরের চাকুলিয়ায় অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। সেখানেও এসআইআরের শুনানির প্রতিবাদে কিছু মানুষ রাস্তায় নেমে পড়েন। আজ বেলডাঙ্গা উত্তপ্ত হয়ে রয়েছে। আর এই পরিস্থিতিতে গোটা ঘটনা নিয়ে রাজ্য প্রশাসনের ভূমিকাকেই প্রশ্নের মুখে ফেলে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

সূত্রের খবর, এদিন সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি লেখেন, “ফারাক্কা থেকে চাকুলিয়া, গত পরশু থেকে আগুনের মত ছড়াচ্ছে হিংসা, অরাজকতা। প্রায় তিন ঘন্টা ধরে বেলডাঙার জাতীয় সড়ক অবরোধ করে রেখেছে সমাজ বিরোধীরা। ছোঁড়া হচ্ছে ইট, পাটকেল, পাথর। জোর করে আটকে রাখা হয়েছে ট্রেন। গোটা এলাকা গুন্ডা, মাস্তানদের নিয়ন্ত্রণে চলে গিয়েছে। কোনোরকম পুলিশি পদক্ষেপ দেখা যায়নি। খাবার ও জল ছাড়া ট্রেনেই আটকে রয়েছেন হাজার হাজার ট্রেন যাত্রী। এলাকায় পর্যাপ্ত বাহিনী পাঠাতে ডিজিপিকে আর্জি জানাই। পশ্চিমবঙ্গ যে প্রশাসনের হাতের বাইরে বেরিয়ে গিয়েছে, তা এই ঘটনা থেকেই পরিষ্কার।”