প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এখনও পর্যন্ত রাজ্য রাজনীতিতে চর্চার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে সিঙ্গুর। সম্প্রতি সেই সিঙ্গুরে সভা করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো মতই বুঝতে পারছে যে, একসময় এই সিঙ্গুরে আন্দোলনকে হাতিয়ার করে তারা ক্ষমতায় এলেও, এখন সেখানকার মানুষরা, যারা তখন তাদের আন্দোলনের সাথ দিয়েছিল, তারা এখন তাদের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছেন। কারণ সিঙ্গুরে যেখানে শিল্প হওয়ার কথা ছিল, সেখানে আন্দোলনের কারণে টাটা চলে গিয়ে যেমন ক্ষতি হয়েছে, ঠিক তেমনই সেই চাষের জমিও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ফলে সকলেই তৃণমূল সরকারকে দায়ী করছেন। আর এই পরিস্থিতিতে ২৬ এর নির্বাচনের আগে নরেন্দ্র মোদী সেই সিঙ্গুরের মাটি থেকে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ঠিক হলেই বিনিয়োগ আসবে বলে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন। আর প্রধানমন্ত্রী চলে যাওয়ার পরেই চলতি মাসেই সেই সিঙ্গুরে যেতে চলেছেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। আর সেই বিষয় নিয়েই এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কটাক্ষ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি সিঙ্গুর থেকে সভা করে গিয়েছেন দেশের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তাতেই কি আরও চাপে পড়ে গিয়েছে এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস? তৃণমূল কি বুঝতে পেরেছে যে, সিঙ্গুর এখন মুখ ফিরিয়ে নিতে শুরু করেছে? আর সেই কারণেই চলতি মাসেই সেই সিঙ্গুরে যাচ্ছেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। তবে মুখ্যমন্ত্রী যতই যান, লাভের লাভ যে কিছু হবে না, তা আজ স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই মুখ্যমন্ত্রীর সিঙ্গুরে যাওয়া নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “উনি একবার গিয়ে সর্ষে ছড়িয়েছেন। একবার গিয়ে জেসিপি দিয়ে গর্ত খুঁড়েছিলেন, মাছ চাষ করবেন বলে। ওখানে মাছ চাষও হয়নি, সর্ষেও হয়নি, ধানও হয় না, আলুও হয় না। আর রতন টাটাকে তাড়িয়েছেন। বিজেপিকে আনলে পশ্চিমবঙ্গে টাটাকে ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব আগামী দিনের বিজেপি সরকারের।”