প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বুকে বিরোধী নেতা কর্মীদের সুরক্ষা বলতে যে কিছু নেই, তৃণমূল যখন বুঝতে পেরেছে যে, তারা আর ক্ষমতায় আসতে পারবে না, তখন যে বেছে বেছে বিজেপি নেতাদের শেষ করে দেওয়ার রাস্তায় তারা নেমে পড়েছে, তা তুলে ধরে মাঝেমধ্যেই সোচ্চার হচ্ছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর তার মধ্যেই বাঁকুড়ার ওন্দার নন্দনপুর গ্রামে বিজেপি কর্মী তাপস বারিকের বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটে। যেখানে সপরিবারে সেই বিজেপি কর্মীকে মেরে ফেলার চক্রান্ত ছিলো বলেই অভিযোগ করছে গেরুয়া শিবির। ইতিমধ্যেই গোটা ঘটনায় তৃণমূলের বিরুদ্ধে অভিযোগের আঙুল তোলা হয়েছে। আর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই বিজেপি কর্মীর পরিবারের পাশে থাকার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী যেদিন থেকে দায়িত্ব নিয়েছেন, সেদিন থেকেই যেখানেই সাধারণ মানুষের ওপর অত্যাচার হচ্ছে, সেখানেই তিনি পৌঁছে যাচ্ছেন। এক্ষেত্রে দল, মত কোনো কিছুই না দেখে প্রত্যেকটি মানুষের বিপদে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তিনি। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে যেহেতু এই রাজ্যের বিরোধী দল হয়ে উঠেছে বিজেপি এবং তারা তৃণমূলের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলছে, তখন তৃণমূলের পক্ষ থেকে বিভিন্ন জায়গায় অত্যাচার চালানোর খবর আসছে। আর বাঁকুড়ার ওন্দার নন্দনপুরে যেভাবে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, সেই ঘটনাতেও রাজ্যের শাসক দলের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ করছে বিরোধী শিবির। আর সেই কথা তুলে ধরেই গোটা ঘটনায় তারা যে বড় প্রতিবাদের পথে হাঁটছেন, তা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন নন্দীগ্রামে একটি কর্মসূচিতে উপস্থিত হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানে বাঁকুড়ার নন্দনপুরে এক বিজেপি কর্মীর বাড়িতে যেভাবে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার ঘটনা ঘটেছে, সেই বিষয় নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “আজ সকালবেলা অমর শাখা বিধায়ক, তিনি জানিয়েছেন। তিনি বিষয়টা পুরোটা নিয়ন্ত্রণ করছেন। আমি তার সঙ্গে কথা বলব। আমরা পুলিশ প্রশাসনের ওপর চাপও সৃষ্টি করব এবং ওই পরিবারের পাশে অর্থনৈতিকভাবেও দাঁড়াবো।”