প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের বুকে তৃণমূল কংগ্রেস এবং তাদের নেতা-নেত্রীরা যেটাই অপছন্দ হবে, সেখানেই তারা প্রতিবাদ করবেন। এমনকি আইন হাতে তুলে নেবেন। বর্তমানে নির্বাচন কমিশনের তত্ত্বাবধানে চলছে এসআইআর প্রক্রিয়া। বিভিন্ন জায়গায় শুনানি হচ্ছে। আর সেই শুনানি প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে তৃণমূলের নেতাদের তান্ডব লক্ষ্য করা যাচ্ছে। বিভিন্ন জায়গায় তারা আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন। এমনকি পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছে গিয়েছে যে, দক্ষিণ দিনাজপুর জেলার কুমার কুমারগঞ্জে বিডিও অফিসে এক মাইক্রো অবজার্ভারের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছে। আর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই তৃণমূল কংগ্রেসের দিকে অভিযোগের আঙুল তুলে মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্রয়েই এই সমস্ত ঘটনা এবং বিশৃঙ্খলা চলছে বলে দাবি করলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
বর্তমানে কখনও ফারাক্কা, আবার কখনও বা ইটাহারে এসআইআরের শুনানিকে কেন্দ্র করে ব্যাপক বিশৃঙ্খলার খবর সামনে আসছে। বিভিন্ন জায়গায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে, শুনানি চলাকালীন সেখানে পৌঁছে যাচ্ছেন তৃণমূলের নেতা কর্মীরা এবং বিভিন্ন জায়গায় তারা আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন। সম্প্রতি কুমারগঞ্জে ভিডিও অফিসার মাইক্রো অবজারভারকে চড় মারার অভিযোগ উঠেছে। আর সেই ঘটনা নিয়ে চর্চা হতেই মুখ্যমন্ত্রীকে চাপে খুলে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
এদিন এই ব্যাপারে কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদারকে একটি প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন জায়গায় তৃণমূল কংগ্রেসের মদতে তৃণমূল কংগ্রেসের পোষা গুন্ডারা বিভিন্ন জায়গায় ঝামেলা করছে। দক্ষিণ দিনাজপুরের কুমারগঞ্জে একজন মাইক্রো অবজার্ভারকে তৃণমূল কংগ্রেসের একজন নেতা, সে দুধেল গাই, সে হামলা করে এবং থাপ্পড় মারে। মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রীর প্রশ্রয়েই পুরোটা প্ল্যান করে হচ্ছে। আমি নির্বাচন কমিশনকে বলবো, অত্যন্ত কঠোর হাতে এদের দমন করার জন্য। যাতে এরা ৬ মাস কম করে জেলের ভিতর পচে।”