প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
বারবার করে দেশের মধ্যে সবথেকে বেশি অনুপ্রবেশ কারীদের রমরমা নিয়ে যে রাজ্য আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে থাকে, সেই রাজ্যের নাম হচ্ছে, পশ্চিমবঙ্গ। এখানকার তৃণমূল সরকার ভোটব্যাংকের স্বার্থে অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিচ্ছে। দীর্ঘদিন ধরেই এই অভিযোগ করে আসছেন বঙ্গ বিজেপির নেতারা। প্রত্যেকটি সভা থেকেই সেই অনুপ্রবেশ কারীদের নাম যাতে ভোটার তালিকা থেকে বাদ যায়, তার জন্য নির্বাচন কমিশন যখন কাজ করছে, যখন এসআইআর হচ্ছে, তখন তাতে তৃণমূলের আতঙ্ক বৃদ্ধি পাচ্ছে বলে দাবি করছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি অনুপ্রবেশের রমরমার কারণেই যে পশ্চিমবঙ্গের নিরাপত্তা এখন প্রশ্নের মুখে, সেই কথাও উল্লেখ করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর গতকাল রাজ্যে এসেছেন নীতিন নবীন। আজ দুর্গাপুরের সভা থেকে সেই অনুপ্রবেশের ইস্যু তুলে ধরেই বাংলাকে বাংলাদেশ বানানোর যে চক্রান্ত চলছে, তার বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন তিনি।
এই রাজ্যের বুকে তৃণমূল সরকার খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছে যে, তারা ক্ষমতায় থাকবে না। এমনকি এসআইআর হওয়ার পর থেকে তাদের আতঙ্ক আরও বৃদ্ধি পেয়েছে। কারণ এসআইআর সঠিকভাবে হলে অনুপ্রবেশ কারীদের নাম বাদ যাবে। আর সেই অনুপ্রবেশকারীরা এতদিন তাদের ভোটব্যাঙ্ক থাকার কারণেই যে তারা এসআইআরের বিরোধিতা করছে, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত বিজেপি নেতারা। আর বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতির দায়িত্ব পাওয়ার পর রাজ্যে এসে সেই অনুপ্রবেশ ইস্যুতেই গর্জে উঠে তৃণমূলকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন নীতিন নবীন।
এদিন দুর্গাপুরে বিজেপির দলীয় সভায় যোগ দেন সর্বভারতীয় সভাপতি নিতীন নবীন। যেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তৃণমূলকে কটাক্ষ করে তিনি বলেন, “অনুপ্রবেশকারীদের মদত দিয়ে পশ্চিমবঙ্গের কোটি কোটি হিন্দুদের ওপর অত্যাচার করছে এখানকার সরকার। তৃণমূল সরকার পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ বানানোর চক্রান্ত করছে। বিজেপির কর্মীরা বলিদান দিতে প্রস্তুত। কিন্তু পশ্চিমবঙ্গকে পশ্চিম বাংলাদেশ হতে দেবে না।”