প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল সাধারণ মানুষকে নিরাপত্তা দিতে ব্যর্থ। এটা সকলেই বুঝতে পেরেছেন। আর বিরোধী দলনেতা হিসেবে শুভেন্দু অধিকারী যখনই মানুষের পাশে থাকতে যাবেন, তখনই তাকে বাধা দেওয়া হবে। গতকালই তিনি জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, আজ তিনি নাজিরাবাদে যেখানে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে, সেখানে পৌঁছে যাবেন। কিন্তু আজ সকালেই খবর পাওয়া যায় যে, সেখানে নাকি ১৬৩ ধারা জারি করে দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ শুভেন্দু অধিকারী যাতে কোনোভাবেই সেখানে যেতে না পারে, তার জন্য এই কৌশল প্রয়োগ করেছে পুলিশ, এই সম্পর্কে কারও মধ্যেই কোনো দ্বিমত নেই। আর তারপরেই কলকাতা হাইকোর্টে পৌঁছে যায় বিজেপি। যেখানে আগামীকাল তাদের মিছিল করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আর আজ আইন মেনে সেখানে বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে যাওয়ার পর সেই নাজিরাবাদ থেকেই আগামীকাল সেই মিছিল নিয়ে তৃণমূলকে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

প্রসঙ্গত, এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী যেখানেই কর্মসূচি করেন, সেখানেই পুলিশ তাকে অনুমতি দেয় না। এটা কার্যত পুলিশের স্বভাবসিদ্ধ ভঙ্গিমা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বারবার করে আদালতে গিয়ে অনুমতি নিয়ে আসেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আজ নাজিরাবাদে বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল তার। এমনকি সেখানে একটি মিছিল করার কথা ছিল শুভেন্দু অধিকারীর। কিন্তু পুলিশ আগেভাগেই তিনি যাতে সেখানে যেতে না পারেন, তার জন্য ১৬৩ ধারা জারি করে দেয়। পরবর্তীতে আদালত থেকে অনুমতি নিয়ে আসে বিজেপি। আর আগামীকাল সেই কর্মসূচির কথা জানিয়ে দিয়ে নাজিরাবাদ থেকেই বড় মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

এদিন নাজিরাবাদে বিজেপি বিধায়কদের নিয়ে পৌঁছে যান শুভেন্দু অধিকারী। তবে আদালতের অনুমতি না থাকার জন্য আজ মিছিল করেননি তিনি। কিন্তু আদালতের অনুমতি যে আগামীকালের জন্য রয়েছে, সেই কথা উল্লেখ করে জনজোয়ারের ডাক দেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “আমরা আজ যাদবপুর সাংগঠনিক জেলার ডাকে নরেন্দ্রপুর থানা অভিযান কর্মসূচি নিয়েছিলাম। সেই কর্মসূচিও বাতিল করা হয়। আমরা আজ কোর্টে গিয়েছি। আমাদের কোর্ট অনুমতি দিয়েছে। আগামীকাল সকাল ১১ টা থেকে ৩ টে পর্যন্ত অনুমতি দেওয়া হয়েছে। আগামীকাল জনজোয়ার হবে। নরেন্দ্রপুর থানা, তৃণমূলের বিধায়ক এবং খেয়াদহ গ্রাম পঞ্চায়েত, তাদের জয়েন্ট ভেঞ্চারে এই লুট। এইরকম অমানবিক, হৃদয়বিদারক ঘটনা। আমরা ছাড়বো না।”