প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
খাস কলকাতার বুকে সম্প্রতি যে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তারপর থেকে রীতিমত চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এতগুলো মানুষের প্রাণ চলে যাওয়ার পরেও কেন সরকারের পক্ষ থেকে সেরকম সংবেদনশীল ভূমিকা দেখতে পাওয়া যাচ্ছে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে বিরোধীরা। আজ সেই নাজিরাবাদ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় প্রতিবাদ করে একটি মিছিল রয়েছে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীর। ইতিমধ্যেই বিরোধী দলনেতা দাবি করেছেন যে, এই ঘটনায় তৃণমূলের পঞ্চায়েত থেকে শুরু করে স্থানীয় বিধায়ক এবং প্রশাসন জড়িত। এদের জন্যই এতগুলো মানুষের প্রাণ চলে গেল। আর আজ বিজেপির যখন সেখানে কর্মসূচি রয়েছে, ঠিক তার আগেই এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তৃণমূলকে গাড্ডায় ফেলে দিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
নাজিরাবাদে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর থেকেই সোচ্চার হচ্ছে বিরোধীরা। তাদের একটাই বক্তব্য যে, জলাজমি ভরাট করে আজ শহর কলকাতার এই ভয়াবহ পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে। আর এর জন্য একমাত্র প্রশাসন দায়ী। এর আগেও শহর কলকাতায় একাধিক জায়গায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। কিন্তু তারপরেও প্রশাসনের হুঁশ ফেরেনি। যার ফলে এত বড় ঘটনা ঘটে গেল এবং এত মানুষের প্রাণ চলে গেল। আর এই পরিস্থিতিতে আজ লোক দেখানো গ্রেফতার হলেও, এর পেছনে যারা জড়িত, সেই তৃণমূলের কাউন্সিলর থেকে শুরু করে বিধায়কের কথা তুলে ধরে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই তিনি বলেন, “পুরোটাই তো আগের থেকে ঠিক করা আছে। যে বানিয়েছে ওখানে, এত বড় গোডাউন বেআইনিভাবে, সে তো এমনি এমনি সুযোগ পায়নি। তার মধ্যে পুলিশও আছে, তৃণমূলের নেতা, বিধায়করাও আছে। সুতরাং তার গায়ে হাত দিলে তো মুশকিল হয়ে যাবে। তাই সোনার ডিম পাড়া হাঁসটাকে তো মারা যাবে না। সেই জন্য যে হাঁস চড়াতো, তাকেই মেরে দাও। আজকে পরিস্থিতির কারণে এই ধরনের আলতু ফালতু লোককে গ্রেপ্তার করে গোটা বিষয়টিকে অন্যদিকে ঘুরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছে, আসল সমস্যায় যাচ্ছে না। যারা ওই জমিতে অনুমতি দিয়েছে, যারা লাভবান হয়েছে, ওখানকার বিধায়ক থেকে শুরু করে সবাই দায়ী। সবাইকে এর মধ্যে নিয়ে আসতে হবে।”