প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস খুব ভালো মতই বুঝতে পেরেছে যে, এসআইআর সঠিকভাবে হলে তারা ভোটে জিততে পারবে না। কারণ এতদিন যে ভুয়ো ভোটারদের কাজে লাগিয়ে তারা একের পর এক নির্বাচনী বৈতরনী পার হয়েছে, এসআইআরে তাদের নাম বাদ যাবে। আর তাদের নাম বাদ গেলে তৃণমূলের ক্ষমতা থেকে চলে যাওয়া শুধুমাত্র সময়ের অপেক্ষা বলেই মনে করছেন সকলে। বর্তমানে রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস দাবি করছে যে, এসআইআরের নামে সাধারণ মানুষকে হয়রান করা হচ্ছে। তবে এই হয়রানির পেছনেও যে রাজ্যের যে সমস্ত আধিকারিক রয়েছেন, তারা তৃণমূলের হয়ে কাজ করে ইচ্ছাকৃতভাবে মানুষকে ডেকে এসআইআরের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন বলেই দাবি বিরোধীদের। তাই এই এসআইআর প্রক্রিয়াকে বানচাল করার জন্য রাজ্যের শাসক দল যতই চেষ্টা করুক না কেন, যদি এভাবেই চলতে থাকে, তাহলে সময়ে নির্বাচন হবে না। আর নির্বাচন সময়ে না হলে রাজ্যে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হয়ে যাবে বলেই মন্তব্য করলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
বর্তমানে দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে, রাজ্যের বিভিন্ন জায়গায় এসআইআরের শুনানির নাম করে বেশ কিছু মানুষকে হয়রান করা হচ্ছে। তবে এর পেছনেও যে শাসক দলের একটা গভীর চক্রান্ত রয়েছে, তা বুঝতে বাকি নেই বিরোধীদের। তাদের বক্তব্য, রাজ্যের যে সমস্ত আধিকারিকরা রয়েছেন, তারা তৃণমূলের কথায় চলতে বাধ্য হচ্ছেন। আর তারা তৃণমূলের কথামত চলার কারণে মানুষকে ইচ্ছাকৃতভাবে হয়রানি করে এসআইআরের বিরুদ্ধে ক্ষেপিয়ে তোলার চেষ্টা করছেন। অনেক জায়গায় আবার আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন তৃণমূলের নেতা এবং জনপ্রতিনিধিরাই। আর রাজ্যের শাসক দল যত এই সমস্ত করে গোটা ব্যবস্থাকে ভন্ডুল করার চেষ্টা করবে, ততই যে তাদের জন্যই বিপদ তৈরি হবে, বড়সড় আশঙ্কার কথা তুলে ধরে সেই বার্তাই দিলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই তিনি বলেন, “পশ্চিমবঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার নেতারা ইচ্ছাকৃতভাবে একটা অব্যবস্থা তৈরি করেছেন। তারা চাইছেন না যে, এসআইআর সম্পূর্ণ হোক। তাই নির্বাচন কমিশনকে বিশেষ সময় দিয়ে, অফিসারদের পাঠিয়ে এটা করার চেষ্টা হচ্ছে। কিন্তু যারা করছেন, এখানকার কর্মচারীরা পুরোটাই এসআইআর পরিচালনা করছেন। তাই তারা যদি সহযোগিতা না করে, তারা যদি কাজ না করে, তাহলে কি করে কমপ্লিট হবে? তাহলে ওটাই হবে। সময়ে শেষ না হলে রাষ্ট্রপতি শাসন জারি হবে।”