প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- যেভাবেই হোক, বাংলায় এবার ক্ষমতা দখল করতেই হবে। বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব খুব ভালো মতই বুঝে গিয়েছে যে, এবার পশ্চিমবঙ্গ দখল না করলে তারা বহু গুণ পিছিয়ে পড়বেন। তাই প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর ঘনঘন বঙ্গ সফর বুঝিয়ে দিচ্ছে যে, বাংলা নিয়ে বিজেপি কতটা আগ্রহী। বঙ্গ বিজেপির মধ্যেও নেতারা জোর কদমে কাজ করছেন। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী প্রতিনিয়ত শাসকের চোখে চোখ রেখে তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছেন। আর আজ রাজ্য বিধানসভায় সেই শুভেন্দু অধিকারীর ঘরেই হচ্ছে মেগা বৈঠক। আর সেই বৈঠকেই উপস্থিত হলেন বিজেপির এই রাজ্যের সহ পর্যবেক্ষক তথা ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব।
প্রসঙ্গত, এই রাজ্যের বুকে বিজেপি শুধুমাত্র কথার কথা নয়। এবার অত্যন্ত সিরিয়াস ভাবেই পরিবর্তনের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছে। কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব রীতিমত টার্গেট বেঁধে দিয়ে জানিয়ে দিয়েছে যে, এবার বাংলায় পদ্মফুল ফোটাতে হবে। আর সেই লক্ষ্যেই কাজ করছেন বিজেপির সকল জনপ্রতিনিধি থেকে শুরু করে নেতৃত্বরা। বাংলার মন বুঝতে পারেন, বাংলা ভাষার সঙ্গে পরিচিত বিপ্লব দেবকে এই রাজ্যের সহ পর্যবেক্ষক করেছে কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। আর সেই বিপ্লববাবুই আজ পৌঁছে গেলেন রাজ্য বিধানসভায়। যেখানে শুভেন্দু অধিকারীর ঘরে উপস্থিত ছিলেন বিজেপির সমস্ত বিধায়করা। আর সেখানেই ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীকে স্বাগত জানানো হলো।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বিজেপি এবার কোনোমতেই বাংলার ক্ষমতা দখলের সুযোগ ছেড়ে দিতে রাজি নয়। তারা খুব ভালো মতই জানে যে, এবার যদি তারা পরিবর্তন করতে না পারে এবং ক্ষমতা দখল করতে না পারে, তাহলে অদূর ভবিষ্যতে বিজেপির এই বাংলা নিয়ে আর কোনো সম্ভাবনা নেই। মানুষও এবার অপেক্ষা করছে যে, তৃণমূলের সরকারকে যেন ক্ষমতাচ্যুত করা হয়। এক্ষেত্রে তৃণমূলের প্রধান বিকল্প হয়ে উঠেছে যে বিজেপিই, সেই সম্পর্কেও কারও মধ্যে কোনো দ্বিমত নেই। কিন্তু সংগঠনগতভাবে বিভিন্ন কৌশল প্রয়োগ করে বিজেপি নেতৃত্ব কতটা ফায়দা নিতে পারে এবং সেই লক্ষ্য নিয়েই আজ রাজ্য বিধানসভায় বিজেপি বিধায়কদের সঙ্গে বিপ্লব দেবের এই বৈঠক বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।