প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকারের বহু নেতা, মন্ত্রীদের বিরুদ্ধে বহু অভিযোগ রয়েছে। এমনকি এমন অনেক অভিযোগ রয়েছে এই সরকারের অনেক বড় বড় মাথার বিরুদ্ধে। কিন্তু কেন কেন্দ্র সেই ব্যাপারে পদক্ষেপ গ্রহণ করে না? এই নিয়ে অনেকের অভাব, অভিযোগ রয়েছে। অনেকে আবার বলেন, পদক্ষেপ নেবে কি করে? কারণ দুই দলের মধ্যেই তো একটা গোপন সেটিং রয়েছে। অনেকে এটাও বলেন যে, কেন্দ্রীয় সরকারের অনেক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীরা নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে যখন প্রশাসনিক বৈঠকের নামে বৈঠক করেন, তখনই তো আসল সেটিংটা হয়ে যায়। আবার মুখ্যমন্ত্রী যখন দিল্লি যান, তখনই তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের উচ্চপদস্থ নেতা, মন্ত্রীদের সঙ্গে গোপনে সেটিং করে নেন। যার ফলে লাভের লাভ কিছুই হয় না। তবে সেই রকম যে কোনো বিষয় নেই, তা নিয়ে বারবার করে যুক্তির সামনে এনেছে বিজেপি। আর বার নবান্নে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে অমিত শাহের একটি বৈঠকের প্রসঙ্গ তুলে ধরেই যারা এই সমস্ত সেটিংয়ের কথা বলেন, তাদের সেই বক্তব্যকে নস্যাৎ করে দিয়ে চাঞ্চল্যকর অভিযোগ সামনে আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে অনুপ্রবেশ নিয়ে আরও একবার তৃণমূল সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন তিনি।
সামনেই ২৬ এর বিধানসভা নির্বাচন। তার আগে একদল অপর দলকে আক্রমণ করতে শুরু করেছে। কিছুদিন আগেই রাজ্যে এসে প্রধানমন্ত্রী থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তৃণমূল সরকারের বিরুদ্ধে একাধিক বিষয় তুলে ধরে সোচ্চার হয়েছেন। যার মধ্যে অন্যতম, অনুপ্রবেশ ইস্যু। আর এবার সেই অনুপ্রবেশের বিষয়টি নিয়েই যখন তৃণমূলের নেতা, মন্ত্রীরা কেন্দ্রীয় সরকার এবং বিএসএফকে দোষারোপ করেন, তখন পাল্টা সাংবাদিক বৈঠক থেকে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ গোটা বিষয়ে নবান্নে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে জমি দেওয়ার কথা বললেও, তারা যে তা দেয়নি, সেই তথ্য ফাঁস করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই অনুপ্রবেশের মত মারাত্মক বিষয় নিয়ে তৃণমূল সরকারকে কটাক্ষ করেন তিনি। শুভেন্দুবাবু বলেন, “তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কখনও লোকসভায়, কখনও বিধানসভায় বিএসএফকে আক্রমণ করেন। অবৈধ মুসলিম, রোহিঙ্গাদের প্রসঙ্গ উঠলেই তৃণমূল বিএসএফকে দায়ী করে, অমিত শাহকে দায়ী করে, ভারত সরকারকে দায়ী করে। এমনকি মুখ্যমন্ত্রী থালা বাটি নিয়ে বিএসএফের ওপর হামলা করার কথাও বলেছেন। তার দলের মন্ত্রীরা বিএসএফকে আক্রমণ করেন। কিন্তু অমিত শাহ নিজে নবান্নে গিয়ে এই ব্যাপারে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেছেন। কিন্তু এখনও পর্যন্ত সীমান্তে বেড়া দেওয়ার জন্য জমি দেয়নি রাজ্য সরকার। তাই বিজেপি এই রাজ্যে ক্ষমতায় এলেই অনুপ্রবেশ বন্ধ করতে ৪৫ দিনের মধ্যে বেড়া দেওয়ার কাজ সম্পন্ন হবে।”