প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস থেকে বের হয়ে নতুন দল গঠন করেছেন হুমায়ুন কবীর। আর প্রথম দিন থেকেই তিনি দাবি করছেন, তৃণমূল এবং বিজেপি, দুই শক্তিকেই তিনি আটকে দেবেন এবং এমন সংখ্যা নিয়ে তিনি বিধানসভায় যাবেন, যাতে তার দলকে প্রত্যেকের প্রয়োজন হয়। অনেকে বলছেন, হুমায়ুন কবীর যে দল গঠন করেছেন, তাতে তিনি সংখ্যালঘুদের বেশি ভোট টানবেন। এক্ষেত্রে বিজেপির সমস্যা হওয়ার কোনো কথা নেই। যদি সমস্যা কারওর হয়, তাহলে সেটা তৃণমূল কংগ্রেসের। কারণ তারাই এতদিন সংখ্যালঘুদের ভোট পেয়ে এসেছে। ফলে সেই ভোট না পেলে তাদের ক্ষমতায় আসাটাই একটা বড় প্রশ্নের মুখে পড়ে যাবে বলেই মনে করা হচ্ছে। আর সেই কারণেই কি এবার ঠ্যালায় পড়ে হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে সমঝোতার রাস্তায় যেতে চাইছে এই রাজ্যের শাসক দল? আজ স্বয়ং হুমায়ুনবাবু যে কথা বলে দিলেন, তারপর এই বিষয়টি নিয়েই চর্চা শুরু হয়েছে রাজ্য রাজনীতিতে।

ইতিমধ্যেই নতুন দল গঠন করার পর থেকেই হুমায়ুন কবীর একের পর এক হুংকার দিয়েই চলেছেন। কিন্তু বারবার তিনি দাবি করছেন যে, তৃণমূল কংগ্রেসকে কোনোমতেই তারা এবার ক্ষমতায় আসতে দেবেন না। এমনকি বিজেপিও এবার ক্ষমতায় আসবে না বলে প্রকাশ্য সভা থেকে মন্তব্য করেছেন ভরতপুরের বিধায়ক। ইতিমধ্যেই তার সঙ্গে বামেরা এবং আইএসএফ জোট করবে কিনা, তা নিয়েও একটা চর্চা চলছে। শেষ পর্যন্ত যদি সেই জোট হয়ে যায়, তাহলে তৃণমূলের সংখ্যালঘু ভোটে যে অনেকটাই ফাটল ধরবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না। আর তা বুঝতে পেরেই কি এবার শেষ পর্যন্ত সেই হুমায়ুন কবীরকে ম্যানেজ করার রাস্তায় হাঁটতে শুরু করলো এই রাজ্যের শাসক দল?

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন হুমায়ুন কবীর। আর সেখানেই এই বিষয় নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই ব্যাপারে আমি কিছু বলবো না। যারা তৃণমূলের হয়ে কাজ করে, তাদেরকে জিজ্ঞেস করুন। একটা সময় আমাকে অনেক অপমান করা হয়েছিল। এখন প্রশাসনের মাধ্যমে এবং যারা এদের হয়ে দালালি করে, তারা এখন বলছে যা হয়েছে হয়েছে, কিন্তু মুর্শিদাবাদে সিট অ্যাডজাস্টমেন্ট। কিন্তু এদের জন্মই হয়েছে, শুধুমাত্র তোলাবাজি করা এবং দুর্নীতির জন্য। ভোট আসতে দিন। সব জবাব মানুষ দিয়ে দেবে।”