প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস ভেবে নিয়েছে যে, তারা যে সমস্ত অনুদান দিচ্ছে, সেটা বুঝি তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি। আর তেমনটা ভেবেই তারা ভোটের আগে বিভিন্ন জায়গায় ভয় দেখাতে শুরু করেছে যে, তাদেরকে ভোট না দিলে লক্ষীর ভান্ডারের টাকা বন্ধ করে দেওয়া হবে। সম্প্রতি এইরকম একটি মন্তব্য করেছেন তৃণমূলের শওকত মোল্লা। কিন্তু শওকতবাবুর মত নেতারা ভুলে গিয়েছেন যে, রাজ্যের বিরোধী দলনেতার নাম শুভেন্দু অধিকারী। এর আগেও মেদিনীপুরের ময়নায় বেশ কিছু জায়গায় এই লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেওয়ার একটা চেষ্টা হয়েছিল। যার ফলে আদালতে গিয়ে কি করে আবার সেই লক্ষ্মীর ভান্ডার চালু করে দিতে হয়, তা দেখিয়ে দিয়েছেন শুভেন্দুবাবু। তাই শওকত মোল্লারা ভোট পাওয়ার জন্য মানুষকে ভয় দেখানোর চেষ্টা করলেও সেই আইনি ইতিহাস স্মরণ করিয়ে তাদের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।

সম্প্রতি লক্ষ্মীর ভান্ডার বন্ধ করে দেওয়া নিয়ে শওকত মোল্লার যে বক্তব্য সামনে এসেছে, তারপর বিভিন্ন মহলে গুঞ্জন তৈরি হয়েছিল। একজন জনপ্রতিনিধি কিভাবে এই ধরনের কথা বলতে পারেন? তৃণমূলের সরকার লক্ষীর ভাণ্ডারের নামে যে টাকা দিচ্ছে, সেটা কি তাদের সম্পত্তি? ভোট না পেলে টাকা বন্ধ করে দেওয়ার যে কথা এই তৃণমূল বিধায়ক বলছেন, তা তো মারাত্মক। সরকার তো সবার জন্য। কিন্তু সেখানে ভোট না পেলে অনুদান বন্ধ করে দেওয়া হবে, এত বড় কথা কি করে একজন জনপ্রতিনিধি বলতে পারেন? আর সেই বিষয়েই এবার তৃণমূলকে রীতিমত ধুয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।

এদিন এই ব্যাপারে শুভেন্দুবাবুকে একটি প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “ময়নার দুটি অঞ্চলে বন্ধ করে দিয়েছিল। তারপর হাইকোর্টে এসেছিলাম। কান মুলে আদায় করে নিয়ে গিয়েছি। ‌ওটা মমতার বাপের টাকা নয়, তৃণমূলের চুরির টাকা নয়। ওটা জনগণের ট্যাক্সের টাকা।”