প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকাল দেশের জাতীয় নির্বাচন কমিশন ভিডিও কনফারেন্সে রাজ্যের বেশ কিছু জেলার জেলাশাসককে ধমক দিয়েছেন। এমনকি রাজ্যের মুখ্যসচিবকেও নির্দেশ অমান্য করার জন্য দিল্লিতে ডেকে পাঠিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। কিন্তু এই ডাকাডাকির মধ্যে আর থাকলে হবে না। এবার চাই অ্যাকশন। সাংবাদিক বৈঠকে রাখঢাক না করেই সেই কথা জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি যেভাবে নির্বাচন কমিশন ভদ্র ভাষায় এদেরকে সতর্ক করছে এবং ডেকে পাঠাচ্ছে, তার বাইরে বেরিয়ে এবার সাসপেন্ডের পথে হাঁটা উচিত বলেই দাবি করলেন তিনি।
বর্তমানে এসআইআর প্রক্রিয়ার একদম শেষ লগ্নে রয়েছে পশ্চিমবঙ্গ। আজ শুনানির শেষ দিন। এরপর তথ্য যাচাইয়ের কাজ হবে। তারপর আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হবে। তবে গতকালই এই রাজ্যের বেশ কিছু জেলা শাসকদের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছে দেশের নির্বাচন কমিশন। আর সেই বিষয় নিয়ে রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে প্রশ্ন করতেই তিনি সরাসরি জানিয়ে দিলেন যে, তার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ রয়েছে। অর্থাৎ নির্বাচন কমিশন হয়ত ঠিকমত কাজ করছে, তারা হয়ত ভদ্র ভাষায় এই রাজ্যের প্রশাসনকে দিয়ে সঠিক প্রক্রিয়ায় কাজ করিয়ে নিতে চাইছে। কিন্তু প্রশাসন যেভাবে কথা শুনছে না, তাতে আর সেই ভদ্র ভাষায় যে কথা বললে হবে না, এদের বিরুদ্ধে যে এবার কড়া পদক্ষেপ নিয়েই এদেরকে সবক শেখাতে হবে, ঘুরিয়ে সেই কথাই বুঝিয়ে দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমার নির্বাচন কমিশনের ব্যাপারে সরাসরি অভিযোগ রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের এক্তিয়ার রয়েছে, সরাসরি এফআইআর এবং সাসপেন্ড করার। তারা খুব ভদ্রভাবে এদের বিরুদ্ধে এই কাজ করতে বলেছিলো। কিন্তু এরা চারজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করেনি। বসিরহাট ২ এর বিডিওকে সাসপেন্ড করতে বলেছিলো, সেটাও করেনি। ইলেকশন কমিশনের উচিত, এনাফ ইজ এনাফ। এবার সরাসরি অ্যাকশন নেওয়া উচিত। আপনি ভাবতে পারছেন, এই ডিএমরা প্যান কার্ডকে অ্যালাও করে দিচ্ছে। ডোমেসাইল সার্টিফিকেট সবার হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে।”