প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকাল অবশেষে বাংলাদেশের ফলাফল ঘোষণা হয়েছে। যেখানে জয়লাভ করেছে বিএনপি। তবে বাংলার সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের যে সমস্ত এলাকা রয়েছে, সেখানে জামাতের উত্থান যথেষ্ট চিন্তায় রাখছে ভারত এবং পশ্চিমবঙ্গকে। তবে মন্দের ভালো হলেও বিএনপির এই জয়লাভকে স্বাগত জানিয়েছে ভারত। ভারতবর্ষের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ইতিমধ্যেই তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। তবে প্রশ্ন একটাই যে, বাংলাদেশে যে সমস্ত সংখ্যালঘুরা রয়েছেন, তারা নিরাপদে থাকবেন তো? এতদিন অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে এবং শেখ হাসিনা ক্ষমতা থেকে বিদায় নেওয়ার পর যেভাবে তাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়েছে ভারত। তাই এবার সেই সমস্ত সংখ্যালঘু হিন্দুদের সুরক্ষা দিতে বিএনপির সরকার কোনো গঠনমূলক পদক্ষেপ নিতে পারবে তো? আর এই সমস্ত সংশয় যখন ভারতের মানুষের মধ্যে বা ওপার বাংলার সংখ্যালঘুদের মধ্যে আলোচনা চলছে, ঠিক তখনই সরকার গঠনের আগেই অন্যায়ের বিরুদ্ধে কড়া হাতে আইন শৃঙ্খলা সামাল দেওয়ার বার্তা দিলেন তারেক রহমান।

ভারতের কাছে সবথেকে বড় খুশির কারণ হতো, যদি আওয়ামি লিগ ক্ষমতা দখল করতো। কিন্তু এবার তারা নির্বাচনে লড়ছে না। স্বাভাবিকভাবেই বিএনপি ভারতের কাছে প্রথম পছন্দের ছিলো। জামাতের উত্থান ভারতকে চিন্তায় রাখলেও, তারা যে ক্ষমতা দখল করেনি, এটাই যথেষ্ট স্বস্তির কারণ। তবে এখনও এবার বাংলার মানুষদের মধ্যে একটা চিন্তা তৈরি হয়েছে, ওপার বাংলায় অর্থাৎ বাংলাদেশে থাকা সংখ্যালঘুদের নিরাপত্তা নিয়ে। যেভাবে এতদিন তাদের ওপর অত্যাচার হয়েছে, আবার সেই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হবে না তো? বিএনপি’র সরকার হওয়ার পর তারা অন্তত হিন্দু থেকে শুরু করে বাকি যে সংখ্যালঘুরা বাংলাদেশ রয়েছেন, তাদের নিরাপত্তার জন্য কাজ করবেন তো? নাকি এখনও চলবে সেই অত্যাচারের পর্ব? সরকার গঠনের আগে সাংবাদিক বৈঠকে শান্তি বজায় রাখাই যে তাদের প্রধান লক্ষ্য, তা স্পষ্ট করে দিলেন তারেক রহমান।

এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমার বক্তব্য স্পষ্ট, যে কোনো মূল্যে শান্তি, শৃঙ্খলা বজায় রাখতে হবে। কোনোরকম অন্যায় কিংবা বেআইনি কর্মকাণ্ড আমরা বরদাস্ত করব না। দল, মত, ধর্ম নির্বিশেষে কোনো অজুহাতেই দুর্বলের ওপর সবলের আক্রমণ আমরা মেনে নেব না। ন্যায় পরায়ণতা হবে আদর্শ। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা না হলে আমাদের সকল প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে। প্রতিটি নাগরিকের জন্য আইন সমান।”