প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকাল থেকেই এই রাজ্যে শুরু হয়েছে যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ। প্রচুর ছেলেমেয়েরা প্রচুর বেকার যুবক-যুবতীরা প্রত্যেকটি বিধানসভায় যেখানে ক্যাম্প হয়েছে, সেখানে গিয়ে ফর্ম ফিলাপ করছেন, লাইনে দাঁড়াচ্ছেন। তবে প্রথম দিন থেকেই এই রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী ২০১৩ সালে এই রাজ্য সরকারের উদ্যোগে চালু হওয়া যুবশ্রী প্রকল্পের করুন পরিণতির কথা তুলে ধরে সোচ্চার হয়েছিলেন। এমনকি রাজ্যের উদ্দেশ্যে প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছিলেন যে, সমস্ত কিছুই যখন অনলাইনে হচ্ছে, তখন বেকার যুবকদের বাইকের তেলের টাকা খরচ করিয়ে তাদের এত দূর দূর থেকে অফলাইনে ফর্ম ফিলাপ করানোর অর্থটা কি? তবে কিছুক্ষণ আগেই খবর পাওয়া গিয়েছে যে, রাজ্য সরকার অবশেষে অনলাইনে এই যুবসাথী প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করার উদ্যোগ নিয়েছে। আজ সকাল থেকেই তা শুরু হয়েছে। কিন্তু গতকাল যেভাবে অফলাইনে প্রচুর ছেলেমেয়ে দূর-দূরান্ত থেকে এসে একটি জায়গায় যেখানে ক্যাম্প হয়েছে, সেখানে ফর্ম ফিলাপ করেছেন, তাতে তাদের দুর্দশার কথা তুলে ধরে যুবসাথী প্রকল্পের ভবিষ্যৎ যে অশ্বডিম্ব এবং এই প্রকল্পের ফর্ম ফিলাপ করলেও যে টাকা কেউ পাবে না, তা স্পষ্ট করে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যের অন্তবর্তী বাজেটে যেদিন ঘোষণা করা হয়, এই যুবসাথী নামক প্রকল্পের কথা সেদিনই তার বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দিয়েছিলেন যে, এই রাজ্য সরকার যে চাকরি দেবে না, তা এর মধ্যে দিয়েই পরিষ্কার। এরা ভাতা দিয়েই মানুষকে পঙ্গু করার চেষ্টা করবে। পাশাপাশি তিনি এটাও বলেছিলেন যে, এর আগে যুবশ্রী নামক প্রকল্প চালু হয়েছিলো। কিন্তু সেই প্রকল্পের ভবিষ্যৎ কি? তারপর সেই প্রকল্পের টাকা দেওয়া বন্ধ হয়ে গিয়েছে। ঠিক সেই রকম ভাবেই এই যুবসাথী প্রকল্পের টাকাও রাজ্য সরকার দেবে না। এটা ভোটের আগে একটা গিমিক বলেই দাবি করেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। শুধু তাই নয়, যখন সবকিছুই অনলাইনে হচ্ছে, তখন এক্ষেত্রে কেন অফলাইনে ছেলেমেয়েদের লাইনে দাঁড় করায় হ্যারাসমেন্ট করতে চাইছে রাজ্য, তার নিয়োগ প্রশ্ন তুলেছিলেন শুভেন্দু অধিকারী। আর গতকাল আরও একবার সেই প্রশ্ন তুলে ধরে যুবসাথী প্রকল্পের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় খবর দিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
গতকাল সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আপনি ভাবতে পারেন, আজ সকাল থেকে বেকার ভাতার জন্য সব ছেলেমেয়েদের লাইনে দাঁড় করিয়ে দিয়েছে। এটা অনলাইনে করা যেত না? আর এটা কেউ পাবেও না। এর আগে ২০১৩ সালে ১৭ লক্ষ ফর্ম ফিলাপ করেছিল। দেয়নি। সবাই জানে ভোটের আগে এই সমস্ত কিছু করছে। কিন্তু কেউ পাবে না।”