প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে তোষণ করতে গিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং তার সরকার যেভাবে হিন্দুদের সর্বনাশ করছেন, তার বিরুদ্ধে ২০২১ সালে বিরোধী দলনেতা হওয়ার পর থেকেই সোচ্চার হচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। প্রত্যেকটি সভা, সমিতি থেকেই তিনি হিন্দুদের একত্রিত হয়ে ভোট করার বার্তা দিয়েছেন। ২৬ এর নির্বাচনে যদি সমস্ত কিছু ঠিকঠাক থাকে, তাহলে হিন্দুরা নিজেদের ধর্ম রক্ষা করতে তৃণমূলের বিরুদ্ধে ভোট দেবে বলেই আশাবাদী গেরুয়া শিবির। সম্প্রতি বাংলাদেশের ফলাফল সামনে এসেছে, সেখানে বিএনপি সরকার গঠন করলেও, বাংলার যে সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের এলাকাগুলি রয়েছে, সেখানে আশ্চর্যজনকভাবে উত্থান ঘটেছে জামাত জোটের। আর এটাই ব্যাপক চিন্তার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে বাংলার মানুষের কাছে। একদম সীমান্তবর্তী বাংলাদেশের এলাকাগুলিতেই যদি এইভাবে জামাতের বাড়বাড়ন্ত হয়, তাহলে পশ্চিমবঙ্গেও এর প্রভাব পড়বে না তো? তা নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হয়েছে বিভন্ন মহলে। আর সেই কথা তুলে ধরেই বিভেদ ভুলে হিন্দুদের একত্রিত হয়ে ২৬ এর ভোট করার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যে দীর্ঘদিন ধরেই বিজেপি নেতারা দাবি করছেন যে, এখানে রোহিঙ্গা এবং অনুপ্রবেশকারীদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল করে দিয়েছে তৃণমূল সরকার। ভোটব্যাংকের রাজনীতি করার কারণে তারা রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিচ্ছে বলে প্রত্যেকটি সভা থেকেই অভিযোগ করেন বিজেপি নেতারা। যার ফলে হিন্দুদের বাঁচতে হলে বিজেপিকে সমর্থন করতে হবে বলেও আহ্বান জানাচ্ছেন তারা। আর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ফলাফল কিছুটা সন্তোষজনক হলেও বাংলার একেবারেই সীমান্তবর্তী এলাকাগুলিতে জামাত জোটের ভালো ফল যে বাংলার জন্য অত্যন্ত চিন্তার কারণ, এখন সেই বিষয়কে সামনে এনে তৃণমূল সরকারকে অবিলম্বে না সরালে বাংলার জন্য বড় বিপদ অপেক্ষা করছে বলেই জানিয়ে দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। এক্ষেত্রে হিন্দুদের জোটবদ্ধ হওয়ার বার্তা দিলেন তিনি।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই তিনি বলেন, “বেকার ভাতা দিয়ে তৃণমূলের কোনো অ্যাডভান্টেজ হবে না। হিন্দু যদি বাঁচতে চাও, বিভেদ ভুলে এক হও। ঘাড়ের কাছে এসে গেছে জামাত। বিজেপি ক্ষমতায় আসবে। মহিলারা তিন হাজার টাকা করে পাবে। বাড়ির জন্য যা টাকা দেওয়ার দরকার, দেওয়া হবে। হাতে কাজ, পেটে ভাত, মাথায় ছাদ। বিজেপির অঙ্গীকার। বিজেপি মুখে বলে না। ২১ টি রাজ্যে করেছে।”