প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে বেকারদের কি বীভৎস দশা হয়েছে, তা সকলেই জানেন। কিন্তু আরও বেশি করে স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে এই রাজ্যের বেকারত্বের নির্লজ্জ চিত্র, যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যুব সাথী প্রকল্পের জন্য সকলকে লাইনে দাঁড়াতে বলেছিলেন। সম্প্রতি এই প্রকল্পের আবেদন পত্র নেওয়ার জন্য যখন জেলায় জেলায় ক্যাম্পগুলিতে বেকারদের লক্ষ্য করা গিয়েছে, তখনই বোঝা গিয়েছে যে, এই রাজ্যে বেকারত্বের কি ভয়াবহ পরিস্থিতি। এমনকি বহু শিক্ষিত যুবক যুবতীরা নিজেরা লাইনে দাঁড়াতে লজ্জা পাওয়ার কারণে তাদের বাবা, মায়েরা পর্যন্ত লাইনে দাঁড়িয়ে রয়েছেন। আর রাজ্যে বেকারদের এই ভয়াবহ করুন চিত্র সামনে আসার পরেই তৃণমূল সরকার এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে গর্জে উঠলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘোষণা মত গত ১৫ তারিখ থেকে রাজ্যে প্রত্যেকটি বিধানসভায় ক্যাম্প করে যুবসাথী প্রকল্পের জন্য আবেদন পত্র দেওয়ার কাজ শুরু হয়েছে। আর প্রথম দিন অনলাইন প্রক্রিয়া চালু না হওয়ার কারণে প্রচুর যুবক যুবতীরা সেই লাইনে দাঁড়িয়ে ছিলেন। এমনকি অনেকে উচ্চশিক্ষিত হওয়ার কারণে সেই লাইনে দাঁড়াতে কুণ্ঠাবোধ করেছিলেন। পরবর্তীতে তাদের অভিভাবকরা সেই লাইনে এসে দাঁড়ান। যা সত্যিই চোখে দেখতে পাওয়া যায় না। সকলেই এই ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ে অনুশোচনা করছেন। সকলের মধ্যেই একটা বিষয় স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে যে, এই রাজ্যে বেকারদের কি ভয়াবহ করুণ পরিস্থিতি। আর সেই বিষয়টি নিয়েই এবার সোচ্চার হলেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। আর সেখানেই তিনি বলেন, “এই যে দুঃখজনক দৃশ্য, ছেলের বেকার ভাতার জন্য বাবাকে লাইন দিতে হচ্ছে। পশ্চিমবঙ্গের জন্য মমতা ব্যানার্জি এটাই দিয়েছেন। তারপরেও উনি বেকার ভাতা দিয়ে ভোট চাইছেন। পশ্চিমবঙ্গের জনতার ভাবা উচিত যে, আর কি কি করতে হবে। বাবার ওষুধের লাইনে ছেলে দাঁড়ায়। কিন্তু ছেলের চাকরির লাইনে বাবাকে দাঁড়াতে হচ্ছে, এই দুর্ভাগ্যজনক পরিস্থিতি পশ্চিমবঙ্গে চলছে।”