প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুধু নিজের এবং নিজের ভাইপো ছাড়া কিছু বোঝেন না। দীর্ঘদিন ধরেই এই অভিযোগ করছে বিরোধীরা। বাংলার যুবসমাজ যখন হতাশায় ভুগছে, যখন তারা চাকরি পাওয়ার জন্য সরকারের কাছে আবেদন করতে করতে ক্লান্ত হয়ে গিয়েছে, তখন তাদের কিছু ভাতা দিয়ে পঙ্গু করে রাখার চেষ্টা করছে এই রাজ্যের সরকার। আর বিরোধীরা যখন এই অভিযোগ করছে, ঠিক তখনই দেখতে পাওয়া যাচ্ছে যে, এই রাজ্যের একজন যুবরাজ আছেন, যার উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি হচ্ছে। যিনি লড়াই, আন্দোলন কিছু করেই রাজনীতিতে আসেননি, অথচ তাকে তৃণমূল দলের একদম শীর্ষ আসনে বসিয়ে, প্রচুর সিকিউরিটি দিয়ে এমন একটা ভাব দেখানো হচ্ছে, যেন তিনি বাংলার জন্য অনেক কিছু করে ফেলেছেন। তাই তাকে এত পুরস্কৃত করা হচ্ছে। আসলে নিজের ভাইপো ছাড়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই তৃণমূল সরকারের শাসনকালে আর কাউকেই প্রাধান্য দেন না। রায়দিঘির পরিবর্তন যাত্রার সূচনা থেকে সেই কথাই তুলে ধরে তৃণমূলকে তুলোধোনা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।

২৬ এর বিধানসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ইতিমধ্যেই বাংলায় ঝাঁপিয়ে পড়েছে বিজেপি। তৃণমূলের প্রধান মুখ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তারপরেই যিনি উঠে এসেছেন, তিনি অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। মাঝেমধ্যেই বিরোধীরা তৃণমূলকে পিসি, ভাইপোর লিমিটেড কোম্পানি বলে কটাক্ষ করেন। কেন্দ্রীয় নেতারাও বারবার রাজ্যে এসে সেই কথা তুলে ধরেছেন। আর আজ পরিবর্তন যাত্রা থেকে যুব সমাজের সর্বনাশ করে শুধুমাত্র ভাইপোর উন্নতি চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেই কটাক্ষ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

এদিন মথুরাপুরের রায়দিঘিতে পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় উপস্থিত হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুধু ভাইপোর উন্নতি চান। বাংলার যুব সমাজের নয়। অভিষেককে মুখ্যমন্ত্রী বানাতে চাইছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপিই একমাত্র দল যে, পরিবারতান্ত্রিক রাজনীতি করে না।”