প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এখনও পর্যন্ত ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণা হয়নি। কিন্তু তাই বলে বিজেপি কিন্তু বসে নেই। তৃণমূল যতই কনফিডেন্ট মনোভাব পোষণ করে বলুক না কেন, তারা এবার ক্ষমতায় আসছে, তৃণমূলের এবার শেষ মুহূর্তে রাতের ঘুম কেড়ে নিতে আজ থেকে রাজ্য জুড়ে বিরাট ধামাকাদার কর্মসূচি নিচ্ছে ভারতীয় জনতা পার্টি। ইতিমধ্যেই বিজেপির পক্ষ থেকে মেগা পরিবর্তন যাত্রার কর্মসূচি সম্পর্কে সকলকে অবহিত করা হয়েছে। আর থেকেই শুরু হচ্ছে সেই পরিবর্তন যাত্রা। যেখানে একেবারে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে তৃণমূলকে আরও ঘিরে ধরতে চলেছে গেরুয়া শিবির।

এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস যে পরিমাণ অত্যাচার, যে পরিমাণ দুর্নীতি রাজ্যবাসীর সঙ্গে করেছে, তাতে রাজ্যের মানুষ এবার তৃণমূলকে বিদায় দেওয়ার জন্য পুরোপুরি তৈরি। তবে সাধারণ মানুষের মধ্যে একটা প্রশ্ন রয়েছে যে, দিনের শেষে ভোটটা প্রহসনে পরিণত হয়ে যাবে না তো? কেননা সাধারণ মানুষ তো বিজেপিকে ভোট দেবে। কিন্তু বিজেপি ওই দিনের শেষে বুথ কেন্দ্রগুলি পাহারা দিতে পারবে তো? এমনকি গণনা কেন্দ্রে আবার খেলে দেবে না তো তৃণমূল কংগ্রেস? তবে বিজেপি এবার যে অতীতের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে তৃণমূলের সমস্ত রকম সন্ত্রাসকে প্রতিহত করার জন্য তৈরি, তা বিজেপি নেতাদের বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হচ্ছে। তবে ভোটের নির্ঘণ্টা শুরু হওয়ার আগেই তৃণমূলকে আরও বিপাকে ফেলে দিতে এবার রাজ্যজুড়ে পরিবর্তন যাত্রার মত কর্মসূচি শুরু করে ঝড় তুলতে চাইছে পদ্ম শিবির।

সূত্রের খবর, আজ থেকেই রাজ্যের চার জায়গা থেকে বিজেপির পক্ষ থেকে পরিবর্তন যাত্রা শুরু হচ্ছে। যেখানে কোচবিহারে এই পরিবর্তন যাত্রায় উপস্থিত থাকবেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন এবং রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। অন্যদিকে কৃষ্ণনগরে এই কর্মসূচিতে উপস্থিত থাকবেন বিজেপি প্রাক্তন সর্বভারতীয় সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী জেপি নাড্ডা এবং রাজ্য বিজেপি প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। একই সাথে গড়বেতায় এই পরিবর্তন যাত্রায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর কুলটিতে এই পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় উপস্থিত থাকবেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী অন্নপূর্ণা দেবী, স্মৃতি ইরানি এবং রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি দিলীপ ঘোষ। অর্থাৎ কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব তো বটেই, রাজ্য নেতৃত্বের বিজেপির যারা প্রধান মুখ রয়েছেন, বিভিন্ন প্রান্তে তারা উপস্থিত থেকে তৃণমূলকে জোড়া ফলার মধ্যে দিয়ে ভোট নির্ঘণ্ট ঘোষণার আগেই রাজনৈতিকভাবে বিঁধতে ফর্মুলা তৈরি করে ফেলেছে ভারতীয় জনতা পার্টি। দিনের শেষে তেমনটাই বলছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।