প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বুঝতে পারছেন, বিরোধী দল এবং বিরোধী দলনেতা কাকে বলে। এতদিন সেটিং করা বিরোধী দলনেতারা তার সঙ্গে থেকে সহযোগিতা করলেও, ২০২১ এর পর থেকে যেভাবে চোখে চোখ রেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন শুভেন্দু অধিকারী, তাতে তৃণমূল রীতিমত আতঙ্কের মধ্যে রয়েছে। রাজনৈতিক পথে তো বটেই, প্রশাসনিক এবং আইনি পথেও রাজ্যের বিরোধী দলনেতার সঙ্গে পেরে উঠছেন না রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। আর তার আগে কিছুদিন আগেই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী করা একটি মন্তব্যের বিরুদ্ধে তাকে পাল্টা চ্যালেঞ্জ করে আলিপুর কোর্টে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আর সেই ঘটনার কথা উল্লেখ করেই আরও একবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে চরম হুঁশিয়ারি দিলেন তিনি।
২০২১ এর বিধানসভা নির্বাচনে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে নন্দীগ্রামে পরাজিত করে শুভেন্দু অধিকারী বুঝিয়ে দিয়েছেন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অপরাজেয় নন। যখনই প্রশাসনকে কাজে লাগিয়ে শুভেন্দু অধিকারীকে বাধা দেওয়া হয়েছে, তখনই তিনি আইনের শরণাপন্ন হয়েছেন এবং এই রাজ্যের প্রশাসন যেভাবে দলদাসের মত কাজ করছে, তাতে তাদের মুখের মত জবাব দিয়েছেন। সম্প্রতি এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নাম করে তার মাধ্যমে অমিত শাহের কাছে টাকা যায় বলে একটি মন্তব্য করে রীতিমত বিতর্ক তৈরি করে ফেলেছিলেন। আর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে ১০০ কোটি টাকার মানহানির মামলা করেছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। এদিন সেই কথাই তুলে ধরে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কোর্টে ক্ষমা চাওয়াবো বলে হুশিয়ারি দিলেন শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন বেহালার সখের বাজারে বিজেপির প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। আর সেখানেই বক্তব্য রাখার পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি বলেন, “উনি তো এখন জ্ঞানেশ কুমার, ভ্যানিশ কুমার বলে বেড়াচ্ছেন। বলছেন, কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে দেখে নেব। আমি তো ওর নামে মানহানির মামলা ঠুকেছি আলিপুর কোর্টে। দম ঢিলা করে আইনি পথে ছাড়বো, বলে রাখলাম মুখ্যমন্ত্রীকে। আপনি প্রমাণ করতে পারবেন না। আপনাকে ক্ষমা চাওয়াবো, কোর্টে দাঁড় করিয়ে।”