প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস এবং তাদের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যে বিজেপির মধ্যে সবথেকে বেশি অমিত শাহকে দেখে তটস্ত হয়ে থাকেন, তা তাদের একাধিক বক্তব্যের মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। কারণ অমিত শাহের যে স্ট্র্যাটেজি, যে কৌশল, তাতে তৃণমূল যে কোনোমতেই এবার বঙ্গ বিজয় করতে পারবে না, সেই ব্যাপারে নিশ্চিত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। আর তাই আতঙ্কে অমিত শাহকেই সবথেকে বেশি আক্রমণ করতে দেখা যায় এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে বলেই দাবি করেন একাংশ। আর এসবের মধ্যেই তৃণমূলের অস্বস্তি বাড়িয়ে গতকাল পশ্চিমবঙ্গে পা রেখেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যেখানে ঢাক বাজিয়ে বিজেপি কর্মীরা নিজেদের উচ্ছ্বাসের মধ্যে দিয়ে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। আর তারপরেই বিন্দুমাত্র দেরি না করে দলের গুরুত্বপূর্ণ নেতা কর্মীদের নিয়ে সেই বিমানবন্দর থেকেই সোজা সল্টলেকে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে যান অমিত শাহ। যেখানে হয় গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক।

সম্প্রতি রাজ্যে এসেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। আর তিনি যখন রাজ্য সফরে ছিলেন, তখনই খবর পাওয়া যায় যে, কিছুদিন পরেই রাজ্যে আসতে পারেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তথা বিজেপির সর্বভারতীয় চাণক্য অমিত শাহ। অবশেষে গতকাল সন্ধ্যায় কলকাতায় পা রেখেছেন তিনি। আর সেখানেই বিজেপি নেতা কর্মীরা তাকে স্বাগত জানান। আর তারপরেই নিজের পূর্বনির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী সোজা বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীকে সঙ্গে করে নিয়ে সল্টলেকে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে যান কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। যেখানে বিজেপির গুরুত্বপূর্ণ নেতৃত্বদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন তিনি বলেই খবর পাওয়া যাচ্ছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই অমিত শাহের রাজনৈতিক কৌশল এবং বুদ্ধিমত্তার ওপর ভর করেই বিজেপি একের পর এক নির্বাচনে সাফল্য পাচ্ছে। সম্প্রতি বিহারে তারা যেভাবে জয়লাভ করেছে, তার পেছনেও অমিত শাহের সুক্ষ মস্তিষ্ক রয়েছে বলেই মনে করছেন একাংশ‌। তাই বাংলা জয় যখন বিজেপির অনেকের কাছেই অত্যন্ত চ্যালেঞ্জের হয়ে দাঁড়াচ্ছে, তখন অমিত শাহ নিজে এই বাংলার পরিস্থিতি বুঝে নিয়ে সঠিক কৌশল এখানে প্রয়োগ করতে চাইছেন। আর সেই রকমই কিছু গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ হয়ত গতকালের বৈঠকে বিজেপির সর্বভারতীয় চাণক্য দিয়েছেন বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।