প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
তিনি দীর্ঘদিনের রাজনীতিবিদ। এক সময় বামেদের সরানোর ক্ষেত্রেও তার বড় ভূমিকা ছিলো। ফলে তিনি খুব ভালো মতই জানেন যে, মানুষের মনে কি চলছে। মানুষ শুধু চাইছে, যাতে তারা সঠিকভাবে ভোটটা দিতে পারেন। আর ভোটের গণনার দিন যেন লুট না হয়। আর এই দুইটি কাজ যদি ঠিকমত হয়, তাহলে এবার যে পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন নিশ্চিত হয়ে গিয়েছে, তা প্রত্যেকের মনের মধ্যেই চলছে। আর সেই সমস্ত কিছু খুব ভালো মতই উপলব্ধি করে বেহালার সখের বাজারে বিজেপির মঞ্চ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ সভায় উপস্থিত হয়ে সাধারণ মানুষকে শুধু একটি কাজ করার বার্তা দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
হাতে আর কয়েকটি মাস বাকি। তারপরেই পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচনের দামামা বেজে যাবে। বিজেপি খুব ভালো মতই জানে যে, এবার যদি তারা পশ্চিমবঙ্গের ক্ষমতা দখল করতে না পারে, তাহলে ভবিষ্যৎ অত্যন্ত কঠিন হতে চলেছে। তাই জেলায় জেলায় সাধারন মানুষকে জাগানোর কাজ করছেন বিজেপি নেতারা। আর রাজ্যজুড়ে লাগাতার পরিশ্রম করা রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত রাজনীতিবিদ হিসেবে খুব ভালো মতই বুঝতে পারছেন যে, পশ্চিমবঙ্গে পরিবর্তন শুধু সময়ের অপেক্ষা। কিন্তু তার জন্য মানুষকে তাদের নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে হবে। এই রাজ্যের অনেক মানুষ আছেন, যারা রাজ্যে কাজ না পেয়ে বাইরের রাজ্যে চলে গিয়েছেন। ফলে তারা যদি ভোটের সময় এসে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করেন, তাহলেই যে কেল্লাফতে হয়ে যাবে এবং তৃণমূলের বিসর্জন নিশ্চিত, সেই নিয়ে আজ কনফিডেন্ট মনোভাব পোষণ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যে সমস্ত মানুষ এবার গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করবেন, তাদের মধ্যে বেশিরভাগ ভোট যে বিজেপির দিকে যাবে, এই সম্পর্কে শুভেন্দুবাবুর কোনো সন্দেহ নেই। তাই তিনি চাইছেন, অন্তত সাধারণ মানুষ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে তাড়াতাড়ি নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকারটা প্রয়োগ করুন। আর সেটা করলেই যে বিজেপির জয় কেউ আটকাতে পারবে না, সেই কথাই আজ উল্লেখ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন বেহালার সখের বাজারে বিজেপির মঞ্চ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় প্রতিবাদ কর্মসূচিতে সামিল হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই বক্তব্য রাখতে গিয়ে তিনি বলেন, “এবারে ভোট লুট করতে দেব না। আপনারা শুধু বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসুন। এপ্রিল মাসটা নোট করে রাখুন। বাইরের রাজ্যে থাকলেও ফিরে আসুন। আত্মীয়-স্বজনকে নিয়ে আসুন। শুধু বেশি সংখ্যায় ভোট দিতে যান। বাকিটা আপনারা কি করবেন, আমরা জানি।”