প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- মাতৃত্বকালীন ছুটি, ভাতা বৃদ্ধি সহ একাধিক বিষয় নিয়ে আজ আশা কর্মীদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযান রয়েছে। কিন্তু সেই অভিযানকে কেন্দ্র করে যে প্রশাসন রীতিমত বাধাদানের জন্য সব রকম প্রস্তুতি গতকাল থেকেই নিতে শুরু করেছিল। তার একটি ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে দিয়েছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। যেখানে রীতিমত পুলিশের ব্যারিকেড এবং অতি সক্রিয়তার কথা তুলে ধরেছিলেন তিনি। আর এই রাজ্যের পুলিশ যে কোনো গণতান্ত্রিক আন্দোলনকে বরদাস্ত করবে না, তার আরও একবার করুন চিত্র সামনে চলে এলো। যেখানে একদিকে যেমন শিয়ালদহ স্টেশনে তাদের বাধা দেওয়া হয়েছে, ঠিক তেমনই সকালে কলকাতার উদ্দেশ্যে রওনা হতে যাওয়া সেই আশা কর্মীদের ট্রেন ধরতে বাধা দেওয়া হলো বেলদা স্টেশনে।
প্রসঙ্গত, বিগত ২৯ দিন ধরে যে কর্ম বিরতি তারা করছেন, তার পরিপ্রেক্ষিতে বড় আন্দোলনের ডাক দিয়েছেন আশা কর্মীরা। আজ তাদের স্বাস্থ্য ভবন অভিযানের মত কর্মসূচি রয়েছে। কিন্তু তারা যে সমস্ত দাবিদাওয়া রেখে এই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের পথ বেছে নিয়েছেন, সেই আন্দোলনকেও সহ্য করতে পারছে না এই রাজ্যের প্রশাসন। রীতিমত পুলিশ দিয়ে জেলায় জেলায় আশা কর্মীদের আন্দোলনকে বানচাল করার জন্য সব রকম চেষ্টা করা হচ্ছে বলেই অভিযোগ। যার পরিপ্রেক্ষিতে এবার বেলদা স্টেশন থেকে বড় চিত্র সামনে এলো। যা দেখে সকলেই ধিক্কার জানাচ্ছেন এই রাজ্যের পুলিশ প্রশাসনকে।
সূত্রের খবর, আজ সকালে কলকাতায় আন্দোলনে যোগ দেওয়ার জন্য বেলদা স্টেশনে পৌঁছে যান আশা কর্মীরা। সেখানে তাদের ট্রেন ধরে কলকাতায় আসার কথা ছিলো। কিন্তু তারা সেই স্টেশনে পৌঁছতেই স্টেশন চত্বরে পৌঁছে যায় পুলিশ। যেখানে পুলিশ দিয়ে সেই সমস্ত আশা কর্মীদের ট্রেনে উঠতে বাধা দেওয়া হয়। এমনকি তারা যাতে স্টেশনে ঢুকতে না পারে, তার জন্যও পুলিশের সক্রিয়তা নজরে আসে। স্বাভাবিকভাবেই গণতান্ত্রিক আন্দোলনের ক্ষেত্রে এইভাবে পুলিশের বাধাদান ঘিরে রীতিমত প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন মহলে।