প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাজ্য রাজনীতিতে যখন বিধানসভা ভোট কবে হবে, তা নিয়ে চর্চা চলছে, ঠিক তখনই হঠাৎ করেই গতকাল একটি খবর আসে। যে খবরকে কেন্দ্র করে রীতিমত শোরগোল পড়ে গিয়েছে গোটা রাজ্যজুড়ে। যেখানে খবর পাওয়া যায় যে, রাজ্যের রাজ্যপালের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন সিভি আনন্দ বোস। ভোটের মুখে তার এই পদত্যাগের কারণ ঘিরে বিভিন্ন মহলে ধোঁয়াশা তৈরি হয়। তৃণমূলের পক্ষ থেকে বলার চেষ্টা করা হয় যে, সিভি আনন্দ বোস সঠিকভাবে কাজ করছিলেন। কিন্তু তাকে রাজনৈতিক কারণে নির্দেশ দিয়ে পদত্যাগ করতে বাধ্য করা হয়েছে। আর তৃণমূলের পক্ষ থেকে যখন এই বিষয়ে বিজেপিকে আক্রমণ করা হচ্ছে, ঠিক তখনই রাজ্যপালের এই পদত্যাগ নিয়ে মুখ খুললেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

এই রাজ্যে জগদীপ ধনকর যেভাবে তৃণমূল সরকারকে চাপে রাখার মত পদক্ষেপ নিয়েছিলেন, সেই মত তার পরবর্তী রাজ্যপাল সিভি আনন্দ বোস উল্লেখযোগ্য কোনো ভূমিকা পালন করতে পারেননি। বিভিন্ন সময় বিরোধীরা সেই সিভি আনন্দ বোসের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছিলেন। অনেকেই বলাবলি করতে শুরু করেছিলেন, রাজ্যে এত অরাজকতা চলছে। কিন্তু রাজ্যপাল হিসেবে সঠিক মনমত পদক্ষেপ নিতে পারছেন না আনন্দ বোস। আর সামনেই যখন নির্বাচন, তখন তার হঠাৎ করেই এই পদত্যাগের কারণ ঘিরে রীতিমত ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে বিভিন্ন মহলে। চর্চা চলছে যে, তাহলে কি এই আনন্দ বোসকে পদত্যাগ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে? আর নতুন রাজ্যপাল হিসেবে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার, যার সঙ্গে তামিলনাডু সরকারের মাঝেমধ্যেই সংঘাত তৈরি হয়েছে এবং খবরের শিরোনামে এসেছে গোটা বিষয়টি, সেই রকম একজন ব্যক্তিকেই কি পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল করে পাঠানো হলো? অবশেষে সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ নিয়ে বড় কারণ সামনে আনলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি।

এদিন এই ব্যাপারে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। সেখানেই সিভি আনন্দ বোসের হঠাৎ করে এই পদত্যাগের কারণ কি, তা নিয়ে তাকে প্রশ্ন করা হয়। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে তিনি বলেন, “রাজ্যপাল তো নিজেই লিখেছেন যে, উনি অসুস্থতার কারণে পদত্যাগ করেছেন। এবার তারপরে কি আছে, সেটা সময় বলবে। নতুন রাজ্যপাল হয়েছেন। অস্থায়ী দায়িত্ব। আগামী দিনে তিনি পার্মানেন্ট হবেন কিনা, সেটা গৃহমন্ত্রকের বিষয়।”