প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- সম্প্রতি বাংলাদেশের যে ফলাফল সামনে এসেছে, তাতে সেখানে স্বস্তির কারণ একটাই যে, বিএনপি সরকার গঠন করেছে। তবে বাংলার জন্য বা ভারতের জন্য চিন্তার বিষয় যে, বাংলার সীমান্ত ঘেষা বাংলাদেশের যে এলাকা গুলো রয়েছে, সেখানে উত্থান ঘটেছে জামাত গোষ্ঠীর। গতকালই সেই ব্যাপারে বলতে গিয়ে ওপারের জামাতরা এপারে তৃণমূলকে সহযোগিতা করবে। আর এপারের তৃণমূল এবং হুমায়ুন কবীর ওপারের জামাতকে সহযোগিতা করেছে বলে দাবি করেছিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর আজ বিজেপির দলীয় অফিস থেকে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে হুমায়ুন কবীরকে নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। যা ২৬ এর নির্বাচনের আগে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
তৃণমূল থেকে সাসপেন্ড হওয়ার পর বাবরি মসজিদ গঠন করে নতুন দল ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। তবে তৃণমূল তাকে লোক দেখানো সাসপেন্ড করলেও তলায় তলায় তাদের সঙ্গে হুমায়ুনের যোগাযোগ রয়েছে বলেই দাবি করছে বিজেপি। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের হিন্দু সনাতনীদের বাঁচতে হলে এবং রাষ্ট্রবাদী মুসলিমদের টিকে থাকতে হলে এইরকম হুমায়ুন কবীরের মত মানুষদের হাত থেকে উদ্ধার পেতে হবে। আর তার জন্য তৃণমূলকে সরানো যে অত্যন্ত প্রয়োজন, প্রত্যেকটি কর্মসূচি থেকে সেই বার্তা দিচ্ছেন শুভেন্দু অধিকারী। এমনকি পশ্চিমবঙ্গের মানুষেরও মনের কথা যে, মন্দির, মসজিদ যে কেউ করতে পারে। কিন্তু বাবরের নামে কেন মসজিদ করা হবে? যে বাবর ধ্বংসাত্মক আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত ছিলো, যে বাবর ভারতকে বারবার টার্গেট করেছে, তার নামে কেন মসজিদ হবে? কিন্তু তা সত্ত্বেও যখন হুমায়ুন কবীর সেই মসজিদের শিলান্যাস করেছেন, তখন কিছুদিন আগের ঘটনার কথা তুলে ধরে ভয়ংকর তথ্য সামনে আনলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
এদিন বিজেপির দলীয় অফিসে যোগদান পর্বের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই হুমায়ুন কবীর এই বাবরি মসজিদের ভিত্তি স্থাপনের আগে বাংলাদেশে ছিলেন বলে দাবি করেন তিনি। এমনকি সেখান থেকেই প্রচুর অর্থ এসেছে বলেও দাবি করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। তিনি বলেন, “তথাকথিত বাবরি মসজিদের শিলান্যাস এবং নতুন দল গঠনের আগে সাত দিন বাংলাদেশে ছিলেন হুমায়ুন কবীর। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকের অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে বাবরি মসজিদের যে অর্থ সংগ্রহ করেছেন, তার ৫০ শতাংশের বেশি অর্থ বাংলাদেশ থেকে এসেছে। বাংলাদেশের জামাত ও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সেতু হুমায়ুন কবীর। হিন্দুরা তো বটেই, রাষ্ট্রবাদী মুসলিমরাও এগিয়ে আসুন। এটা দেশের সুরক্ষার প্রশ্ন।”