প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
কথায় আছে, মাছে ভাতে বাঙালি। কিন্তু এই রাজ্যের শাসক দল তৃণমূল কংগ্রেস মাঝেমধ্যেই অভিযোগ করে যে, বিজেপি বাঙ্গালীদের এই খাবারেও হস্তক্ষেপ করার চেষ্টা করছে। যে সমস্ত রাজ্যে বিজেপি ক্ষমতায় রয়েছে, সেখানে বাঙালিরা মাছ-মাংস খেতে চাইলেও, সেক্ষেত্রে তাদের বাধা দেওয়া হচ্ছে। তবে তৃণমূলের এই যুক্তির পেছনে কতটা সত্যতা রয়েছে, তা নিয়েও নানা প্রশ্নচিহ্ন রয়েছে। কিন্তু সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন চালু হয়েছে। আর সেই ট্রেনে নিরামিষ খাবার পাওয়া গেলেও আমিষ খাবার পাওয়া যাচ্ছে না বলে খবর প্রচারিত হয়েছিল। এমনকি তৃণমূলের একটা অংশ এই বিষয়টিকে হাতিয়ার করে বিজেপিকে বাংলা বিরোধী বলে লাগাতার প্রচার করতে শুরু করেছিল। তবে সেই প্রচারে জল ঢেলে দিয়ে এবার বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে আমিষ খাবারও যে পাওয়া যাবে, তা জানিয়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি পশ্চিমবঙ্গ থেকে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সূচনা করেছিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। যার ফলে বাংলার মানুষ অত্যন্ত উজ্জীবিত। এমনকি দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনের সূচনা হওয়ায় সকলেই অত্যন্ত খুশি। তবে সম্প্রতি খবর পাওয়া যায় যে, সেই ট্রেনে নিরামিষ খাবার পরিবেশন করা হচ্ছে। কিন্তু আমিষ খাবার পাওয়া যাচ্ছে না। আর এখানেই একাংশ তার বিরোধিতা করতে শুরু করেন। যেখানে বাঙালি যাত্রীরা রয়েছে, সেখানে কেন ট্রেনে আমিষ খাবারের ব্যবস্থা থাকবে না, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিজেপিকে বাংলা বিরোধী বলে কটাক্ষ করতে শুরু করেন তৃণমূল কংগ্রেসের ঘনিষ্ঠ মহল। তবে যারা এই বিষয় নিয়ে প্রচার করে বিজেপিকে চাপে রাখার চেষ্টা করছিলেন, এবার তাদের মুখে ঝামা ঘষে দিয়ে খুশির খবর শোনালেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই তিনি বলেন, “আমার কেন্দ্রীয় রেল মন্ত্রীর সঙ্গে কথা হয়েছে। আমি তাকে বলেছিলাম, জানিয়েছিলাম যে, তৃণমূল কংগ্রেস এখানে একটি পলিটিক্যাল অ্যাঙ্গেল তৈরি করার চেষ্টা করছে যে, বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে নাকি নিরামিষ খাওয়ানো হচ্ছে, আমিষ নেই। আমি তার সঙ্গে কথা বলেছি। রেলমন্ত্রী আমাকে বলেছেন, আমরা শুরুতে নিরামিষ দিয়ে শুরু করেছি। বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনে আমিষও পাওয়া যাবে। ধীরে ধীরে চালু করতে হয়। একবারে তো হয় না।”