প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্য অনেক বিরোধী দলনেতা দেখেছে। তবে তৃণমূল সরকারের আমলে তাদের নাকানিচোবানি খাওয়ানোর মত একজনই বিরোধী দলনেতা দেখেছেন রাজ্যবাসী। তার নাম, শুভেন্দু অধিকারী। তিনি জানেন, কি করে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রতিপদে কাবু করতে হয়। বিধানসভা নির্বাচন এমনিতেই দরজায় কড়া নাড়ছে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ এবং তার বিভিন্ন মন্তব্যের মধ্যে দিয়েই বোঝা যাচ্ছে যে, তিনি কতটা আতঙ্কিত অবস্থায় রয়েছেন। অন্তত রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা সেই কথাই বলছেন। আর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের নির্বাচনের পরিপ্রেক্ষিতে যে মন্তব্য আজ শুভেন্দু অধিকারী করে বসলেন এবং যেভাবে তিনি মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের উদ্দেশ্যে একেবারে বাংলাদেশে চলে যাওয়ার কথা বললেন, তাতে সকলেই বলছেন, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কথা বলতে দম থাকা চাই। যেটা ক্রমাগত করে চলেছেন শুভেন্দু অধিকারী।
এই রাজ্যে রোহিঙ্গা, অনুপ্রবেশকারীদের ভোটব্যাঙ্ক হিসেবে ব্যবহার করছে তৃণমূল সরকার। এই অভিযোগ বিজেপির নতুন কিছু নয়। এমনকি এসআইআর হওয়ার পরে তৃণমূল বিরোধীতা করছে, সেই সমস্ত রোহিঙ্গাদের বাঁচানোর জন্য বলেও দাবি করে আসছেন বিজেপি নেতারা। আর এই পরিস্থিতিতে বাংলাদেশে শান্তিপূর্ণ ভোট নিয়ে আজ একটি মন্তব্য করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। আর তার সেই মন্তব্য নিয়ে সাংবাদিকের প্রশ্নের উত্তরে শুভেন্দু অধিকারী যে কথা বলে দিলেন, তাতে রীতিমত ঝড় উঠতে শুরু করেছে রাজ্য রাজনীতিতে। যেভাবে শুভেন্দুবাবু আজকে মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন, যেভাবে জামাতের কথা তুলে ধরে রীতিমত সংখ্যা বেঁধে দিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে কথা শুনিয়ে তিনি বলে দিলেন যে, মুখ্যমন্ত্রী সেই বাংলাদেশে চলে গেলে জামাতের সংখ্যা একটা হলেও বাড়বে, তাতে সামনের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে যে একেবারে চোখে চোখ রেখে লড়াই হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বনাম শুভেন্দু অধিকারীর মধ্যে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।
এদিন ময়নায় সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। আর সেখানেই এক সাংবাদিক তাকে প্রশ্ন করেন যে, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আজ নবান্ন থেকে বলেছেন, বাংলাদেশ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন হয়েছে। আর সেই বিষয়েই বলতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, “উনি এখান থেকে নাম কাটিয়ে ওখানেই চলে যান। যা পিসি তুই চলে যা, বাংলাদেশে চলে যা। ওখানেই মানায়। ৭০ জন জামাত আছে, উনি যুক্ত হয়ে যান। ৭১ হয়ে যাবে।”