প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- বাংলায় তৃণমূল সরকার এবং দুর্নীতি কার্যত সমার্থক শব্দ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেখানেই নিয়োগ হয়েছে, সেখানেই দুর্নীতির গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। যার ফলে আজ ২৬ হাজার শিক্ষক-শিক্ষিকার ভবিষ্যৎ ঝুলে রয়েছে। এমনকি সাধারন মানুষ যে সমস্ত প্রকল্পের সুবিধা পায়, সেখানেও তৃণমূল নেতারা সেই প্রকল্পের সুবিধা দেওয়ার বিনিময়ে কাটমানি নেয় বলে অভিযোগ উঠেছে বারবার। আর এটা বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বও খুব ভালো মতই জানে যে, তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে গেলে যদি প্রথম দুটো বিষয়ে কথা বলতে হয়, তার মধ্যে অন্যতম বিষয় হবে, দুর্নীতি। আর তাই সেই দুর্নীতির কথা তুলে ধরেই অন্য রাজ্যের সঙ্গে পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল সরকারের তুলনা করে রীতিমত চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিলেন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি।

যে তৃণমূল সরকারকে মানুষ অনেক ভরসা নিয়ে ক্ষমতায় এনেছিল, সেই তৃণমূলের ওপর এখন সাধারণ মানুষ প্রচন্ড বিরক্ত। তারা প্রত্যেকেই এই তৃণমূলের থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে দুর্নীতির কারণে। যেখানেই মানুষকে সুবিধে দেওয়ার কথা আসবে, যেখানেই চাকরির বিষয় আসবে, সেখানেই তৃণমূল নেতাদের নাম জড়িয়ে যাচ্ছে দুর্নীতির ক্ষেত্রে। এমনকি সামান্য বাড়ি পাওয়ার ক্ষেত্রেও তৃণমূল নেতারা সাধারণ মানুষের কাছ থেকে কাটমানি নিচ্ছে বলে দিকে দিকে অভিযোগ উঠছে। আর গতকাল কোচবিহারের পরিবর্তন যাত্রা সূচনার কর্মসূচি থেকে বিহারের কথা তুলে ধরে এই রাজ্যকে তৃণমূল কিভাবে শেষ করে দিয়েছে, তার তথ্য সামনে আনলেন নীতিন নবীন।

সূত্রের খবর, গতকাল কোচবিহারে পরিবর্তন যাত্রার সূচনায় উপস্থিত হন বিজেপির সর্বভারতীয় সভাপতি নীতিন নবীন। আর সেখানেই তৃণমূলের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে তিনি বলেন, “সরকারি যে কোনো প্রকল্পের টাকা নিয়ে দুর্নীতি হয়েছে। বাংলার মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নিচ্ছে তৃণমূল। বিহারে জীবিকার প্রকল্প চলে। ১০ হাজার টাকা ১ কোটি মহিলাকে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু কেউ বলতে পারবে না, ১ টাকা দুর্নীতি হয়েছে। কিন্তু এই রাজ্যে তৃণমূল নেতারা প্রকল্পের টাকা থেকে কাটমানি নিতে বাড়ি বাড়ি পৌঁছে যান।”