প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাজ্য রাজনীতিতে এই মুহূর্তের সব থেকে বড় খবর যে, রাজ্যপাল পদ থেকে পদত্যাগ করেছেন সিভি আনন্দ বোস। আজ রাষ্ট্রপতির কাছে নিজের পদত্যাগ পত্র জমা দিয়েছেন তিনি। তবে সেই কারণ নিয়ে জল্পনা চলছে বিভিন্ন মহলে। আর তার মাঝেই খবর পাওয়া গেল যে, সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগের পর এবার পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী রাজ্যপালের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার আর এন রবিকে। আর বর্তমান পরিস্থিতিতে একদিকে সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ, আর অন্যদিকে এই আর এন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল করার পেছনে বিভিন্ন কারণ খুঁজতে শুরু করেছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।
আজ রাজ্য রাজনীতিতে যখন বিজেপির পরিবর্তন যাত্রা নিয়ে আলোচনা চলছে, যখন আগামীকাল মুখ্যমন্ত্রীর ধর্না কর্মসূচি নিয়ে চর্চা চলছে, ঠিক তখনই একটি বড় খবর সামনে আসে। যেখানে খবর পাওয়া যায় যে, পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপালের পদ থেকে পদত্যাগ করলেন সিভি আনন্দ বোস। আর সেই নিয়ে চর্চা যখন শুরু হয়েছে, ঠিক তার মাঝেই আরও বড় আপডেট সামনে চলে আসে। যেখানে পশ্চিমবঙ্গের অস্থায়ী রাজ্যপাল হিসেবে প্রাক্তন আইপিএস অফিসার আর এন রবিকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে বলে জানা যায়। এখন প্রশ্ন উঠছে, ঠিক ভোটের আগে বর্তমান রাজ্যপালের পদক্ষেপ এবং প্রাক্তন আইপিএস অফিসার তথা নামজাদা ব্যক্তি বলেই পরিচিত এই আর এন রবিকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল করা হলো কেন?
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই আর এন রবি একসময় তামিলনাডুর রাজ্যপাল ছিলেন। আর সেই সময় তিনি সেখানকার সরকারের সঙ্গে বিভিন্ন মতের বিরুদ্ধে গিয়ে বিভিন্ন সময় খবরের শিরোনামে চলে আসেন। ফলে পশ্চিমবঙ্গে যখন বিধানসভা ভোট, যখন সিভি আনন্দ বোসের ভূমিকা নিয়ে বিরোধীদের একটা অংশ খুব একটা খুশি ছিল না, ঠিক তখনই সেই সিভি আনন্দ বোসের পদত্যাগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে। এমনকি সেই জায়গায় এই আর এন রবি, যিনি অত্যন্ত দক্ষ এবং তামিলনাড়ুতে যে সরকার রয়েছে, তাদের সঙ্গে সংঘাতে জড়িয়েছেন, তাকে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল করে আনার পেছনে একাধিক রাজনৈতিক অংক রয়েছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। অনেকে বলছেন, জগদীপ ধনকরের সময় যেভাবে সরকার অস্বস্তিতে পড়েছিলো, ঠিক একই ঘটনার কি পুনরাবৃত্তি হবে আর এন রবির সময়? যেভাবে তিনি তামিলনাড়ুর সরকারকে বিভিন্ন বিষয়ে চাপে ফেলে দিয়েছিলেন এবং সংঘাতে জড়িয়ে ছিলেন, সেই একই ভাবে তিনি কি পশ্চিমবঙ্গের এই সরকারের বিরুদ্ধেও বড় কোনো পদক্ষেপ নিতে পারেন? ভোটের মুখে রাজ্যপাল বদল নিয়ে এই সমস্ত বিষয়েই চর্চা চলছে রাজনৈতিক মহলে।