প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে চূড়ান্ত অরাজকতা চলছে। আরজিকরের ঘটনার পরেও কিছুদিন আগেই রাজ্যে ঘটে গিয়েছে দুর্গাপুরের এক বেসরকারি হাসপাতালের এক তরুণীর সাথে অমানবিক ঘটনা। তারপর যখন এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বেশি রাতে মহিলাদের বাইরে না বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছিলেন, তা নিয়ে বিভিন্ন মহলে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছিল। কটাক্ষ করতে শুরু করেছিল বিরোধীরা। আর আজ সাংবাদিক বৈঠক থেকে সেই কথা তুলে ধরেই তৃণমূল সরকার এবং রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
পশ্চিমবঙ্গের মানুষ মহিলা মুখ্যমন্ত্রীর আমলে অন্তত মহিলারা সুরক্ষিত থাকবে, এমনটাই আশা করেছিলেন। কিন্তু এই রাজ্যে যেমন শিল্প নেই, যেমন বেকারদের চোখে জল দেখতে পাওয়া যাচ্ছে, ঠিক তেমনই মহিলাদের মান, সম্মান প্রতি নিয়ত প্রশ্নের মুখে পড়ে যাচ্ছে। সন্দেশখালির ঘটনা থেকে শুরু করে আরজিকরের ঘটনা, এমনকি কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া দুর্গাপুরের ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রীতিমত মহিলাদের মান সম্মান বাঁচাতে হলে এই তৃণমূলকে যে ক্ষমতাচ্যুত করতে হবে, সেই দাবি জানাচ্ছেন বিজেপি নেতারা। আর এসবের মধ্যেই যেভাবে দুর্গাপুরের ঘটনার পর এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একটি মন্তব্য বিভিন্ন মহলে প্রশ্নচিহ্ন তৈরি করে দিয়েছিল, তার পরিপ্রেক্ষিতে মহিলাদের এইভাবে বাইরে বেরোনোর ক্ষেত্রে কি করে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর সেখানেই এই রাজ্যের বুকে ঘটে যাওয়া একের পর এক নারী নির্যাতনের প্রসঙ্গ তুলে ধরেন তিনি। পাশাপাশি যেভাবে মহিলাদের বাইরে বেরোনোর ক্ষেত্রে সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও সোচ্চার হন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, “সন্ধ্যা ৭ টার পরে মহিলাদের ঘর থেকে না বেরোনোর পরামর্শ দিচ্ছেন। কোন জমানায় রয়েছে আমরা? মোগল যুগে নাকি?” অর্থাৎ মুখ্যমন্ত্রীর একটি মন্তব্যকে হাতিয়ার করে নারী নির্যাতন নিয়ে সোচ্চার হয়ে এই রাজ্যের তৃণমূল সরকারকে রীতিমত বিপাকে ফেলে দিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।