প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে কি সত্যিই হিন্দু সনাতনীদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই? সত্যিই কি বিরোধী দলনেতার কথা অনুযায়ী, এই রাজ্য দ্বিতীয় বাংলাদেশের রূপ নিতে চলেছে? বিভিন্ন সময় বিরোধীরা এমনটা অভিযোগ করে থাকেন। কিন্তু এবার সেই রাজ্যের বুকে যে ঘটনা ঘটে গেল, যে দৃশ্য সামনে এলো, তাতে প্রশ্ন উঠছে যে, কেন এই ধরনের ঘটনা ঘটবে? ঘটনা ঘটার আগেই কেন ব্যবস্থা নেবে না প্রশাসন?
ইতিমধ্যেই এই রাজ্যের বুকে বিভিন্ন সময় দেখা গিয়েছে যে, সনাতনীরা আক্রান্ত। এমনকি অনেক পুজো মণ্ডপেও ভাঙচুর চালানোর ভিডিও এবং ছবি মাঝেমধ্যেই সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি দাবি করেন যে, রাজ্যে হিন্দুদের নিরাপত্তা বলে কিছু নেই। আর তার মধ্যেই ভগবানপুরে আরএসএসের শতবর্ষ উপলক্ষে যে অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল, সেই অনুষ্ঠানেই সন্ন্যাসীদের ব্যাপক মারধর করার অভিযোগ উঠেছে। যেখানে একজন সন্ন্যাসী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন বলেও খবর। আর এখানেই প্রশ্ন উঠছে যে, কেন সেই সন্ন্যাসীকে এইভাবে মারধর করা হলো? জানা গিয়েছে, জয় শ্রীরাম শব্দে আপত্তি রয়েছে কিছু মানুষের। তাই সেই জয় শ্রীরাম শব্দ বললে প্রাণে মেরে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে। আর সেই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই উত্তাল হয়ে উঠেছে পরিস্থিতি। এদিকে ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই বাংলার বুকে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী একটা সময় জয় শ্রীরাম শব্দ শুনে আপত্তি জানিয়েছিলেন। এমনকি সেটাকে গালিগালাজ বলেও সম্বোধিত করেছিলেন। আর তারপর থেকেই বিশেষ করে শাসক দলের ঘনিষ্ঠরা জয় শ্রীরাম শব্দ শুনলেই মনে করেন যে, এটা বুঝি বিজেপি স্লোগান দিচ্ছে। কিন্তু জয় শ্রীরাম যে হিন্দুদের পবিত্র স্লোগান, এটা কেন ভুলে যাচ্ছে তৃণমূলের নেতারা? এই প্রশ্ন মাঝেমধ্যেই তুলতে শুরু করেছে বিরোধীরা। আর সেই জায়গায় দাঁড়িয়ে রাজ্যে যখন ক্রমাগত হিন্দুদের ওপর অত্যাচার চলছে বলে দাবি করছে বিজেপি, ঠিক তখনই আরএসএসের শতবর্ষ অনুষ্ঠানের শেষে হিন্দু সন্ন্যাসীকে মারধরের ঘটনায় আরও একবার বাংলার ভয়ংকর পরিস্থিতি সামনে চলে এলো বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।