প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী বুঝতে পারছেন যে, বিজেপির রাজনৈতিক শক্তি দিনকে দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। তাই বাংলায় যখনই কোনো ঘটনা ঘটে, তখনই তিনি সব ব্যাপারে বিজেপিকে দায়ী করেন। আজ সকাল থেকেই উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে মুর্শিদাবাদের বেলডাঙা এলাকা। যেখানে একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষের বেশি বাস, এটা সকলেই জানেন। আর সেখানেই ১২ নম্বর সড়ক অবরোধ করে ভিন রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুতে কিছু মানুষ যেভাবে রাস্তায় নেমেছেন, যেভাবে তারা আইন হাতে তুলে নিচ্ছেন, তাতে প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে সকলেই প্রশ্ন তুলছেন। বিরোধীদের বক্তব্য, ইচ্ছাকৃত ভাবে এই রাজ্যের প্রশাসন পরিকল্পনামাফিক এই নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের মানুষকে এই বিক্ষোভ করানোর ক্ষেত্রে প্রশ্রয় দিচ্ছে, যাতে তাদের ভোটব্যাংক মজবুত হয়। আর এই পরিস্থিতিতে গোটা ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দায়ী করেন। এমনকি ঘুরিয়ে বিজেপিকেও আক্রমণ করে বসেন। আর সেই বিষয়েই এবার পাল্টা মুখ্যমন্ত্রীকে চ্যালেঞ্জ করলেন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
আজ সকাল থেকেই বেলডাঙার উত্তপ্ত পরিস্থিতি নজরে এসেছে। ইতিমধ্যেই একটি নামী সংবাদ মাধ্যমের এক মহিলা সাংবাদিক পর্যন্ত সেখানে আক্রান্ত হয়েছেন। আর এই পরিস্থিতিতে গোটা ঘটনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে প্রশ্ন করা হলে তিনি কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে দায়ী করে বসেন। এমনকি যারা বিক্ষোভ করছেন, সেই বিক্ষোভকে স্বতঃস্ফূর্ত বলেও মন্তব্য করেন। স্বাভাবিক ভাবেই মুখ্যমন্ত্রী একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের ভোট পাওয়ার জন্য ঘুরিয়ে বিজেপি এবং কেন্দ্রীয় এজেন্সিকে এই ঘটনায় আক্রমণ করলেও, পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হন রাজ্য বিজেপির প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। আর সেখানেই তিনি বলেন, “একজন মুখ্যমন্ত্রী কেন্দ্রীয় সংস্থার নাম নিচ্ছেন এইভাবে, মুখ্যমন্ত্রীর কাছে তথ্য প্রমান থাকলে আমরা চ্যালেঞ্জ করছি, উনি তথ্য প্রমাণ দিন। ওখানে বিজেপি থাকবে কি করে? সব তো দাড়িওয়ালা আর টুপিওয়ালা। ওখানে বিজেপি কোথায়? যদি বিজেপি থাকতো, তাহলে তো লাল টিপ পড়া কেউ না কেউ থাকতো ওখানে। সেরকম তো কাউকে দেখা যাচ্ছে না।”