প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
রাজ্য জুড়ে যখন এসআইআর শুনানিকে ভন্ডুল করার জন্য কিছু মানুষ আইন হাতে তুলে নিচ্ছে, ঠিক তখনই হঠাৎ করেই উত্তপ্ত হতে দেখা যায় মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গা এলাকাকে। যেখানে আইন হাতে তুলে নিয়ে জাতীয় সড়ক অবরোধ করার পাশাপাশি রেললাইন অবরোধ করা হয়। দীর্ঘক্ষণ ধরে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে এলাকা। কিছু মানুষ যেভাবে তান্ডব চালাতে শুরু করেন, আইন হাতে তুলে নেন, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে বিভিন্ন মহলে। প্রশাসনের ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন তুলতে শুরু করে বিরোধীরা। এমনকি গোটা ঘটনায় এনআইএ তদন্তের দাবি জানান রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। অবশেষে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের নির্দেশে এই বেলডাঙায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ আসতেই সন্তোষ প্রকাশ করলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি মুর্শিদাবাদের বেলডাঙ্গায় উত্তপ্ত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। যেখানে ভিন রাজ্যে এক পরিযায়ী শ্রমিকের মৃত্যুর ঘটনাকে কেন্দ্র করে কিছু মানুষ আইন হাতে তুলে নিয়ে জাতীয় সড়ক পর্যন্ত দীর্ঘক্ষণ ধরে অবরোধ করেন। আর সেই সময় থেকেই বিভিন্ন মহলের প্রশ্ন উঠতে শুরু করে যে, কোথায় প্রশাসন? কেন এই সমস্ত মানুষকে কঠোর হাতে দমন করা হচ্ছে না? গোটা বিষয়টি আদালতের দরজায় গেটে এনআইএ তদন্তের বিষয়ে কেন্দ্রীয় সরকার চাইলে সিদ্ধান্ত নিতে পারে বলে জানিয়ে দেয় আদালত। অবশেষে সেই বেলডাঙ্গার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রক। আর সেই ব্যাপারেই এবার প্রতিক্রিয়া দিলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী।
এদিন বেলডাঙার ঘটনায় এনআইএ তদন্তের নির্দেশ আসতেই রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে প্রশ্ন করেন সাংবাদিকরা। আর সেই ব্যাপারে প্রতিক্রিয়া দিতে গিয়ে শুভেন্দুবাবু বলেন, “আগের যে ধুলিয়ান, সামশেরগঞ্জের নির্দেশ ছিলো, তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ যে অর্ডার দিয়েছিল, সেই অর্ডারটা কন্টিনিউ করছে যে, মুর্শিদাবাদ জেলায় এই ধরনের ঘটনার ক্ষেত্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী ব্যবহার করতে পারে। তার রেফারেন্স ধরেই আমি পিটিশন করেছিলাম। সেখানে আমার বক্তব্য ছিলো যে, পরপর দুদিন বেলডাঙায় যেটা হয়েছে, এটা এনআইএ তদন্ত হওয়া উচিত। সেক্ষেত্রে মহামান্য প্রধান বিচারপতির বেঞ্চ পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছিল, এনআইএ বা ভারত সরকার চাইলে এটা নিতে পারে। আমি খুশি যে, এটাতে এনআইএ তদন্ত করছে।”