প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট-
এই রাজ্যে যে গণতন্ত্র বলে কিছু নেই এবং এখানে যে বিরোধীদের বর্তমানে কোনোভাবেই জব্দ করতে না পেরে প্রাণে মেরে ফেলার চেষ্টা করছে রাজ্যের শাসক দল, তা ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ঘটনার মধ্যে দিয়েই স্পষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অন্তত তেমনটাই দাবি করছেন বিজেপি নেতাকর্মীরা। কেননা গতকাল বেহালার সখের বাজারে বিজেপির সভা ছিল। প্রথম থেকেই তাতে প্ররোচনা দিতে শুরু করেছিল রাজ্যের শাসক দলের নেতা কর্মীরা। পরবর্তীতে ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিপ্লব দেব সেই সভায় বক্তব্য রাখার পর পরিস্থিতি আরও অগ্নিগর্ভ হয়ে ওঠে। যেখানে বিজেপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয় যে, তাদের সভা মঞ্চ তৃণমূলের পক্ষ থেকে পুড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি চেয়ার, টেবিল ভাঙচুর করা হয়েছে। যদিও বা তৃণমূল পাল্টা বিজেপির বিরুদ্ধে অন্য একটি অভিযোগ করেছে। আর এসবের মাঝেই আজ সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন বিজেপি নেতা বিপ্লব দেব।
গতকাল যেভাবে খাস কলকাতার বুকে একটি ভয়ংকর ঘটনা ঘটে গিয়েছে, তাতে বিজেপি চুপ করে বসে নেই। তারাও এই গোটা ঘটনার প্রতিবাদে রাস্তায় নেমেছে। তবে সামনেই যখন বিধানসভা নির্বাচন, যখন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এই রাজ্যে একজন বেকারেরও চাকরি দিতে পারছেন না, তখন যারা কষ্ট করে দিন গুজরান করছেন, তাদের চেয়ার-টেবিল ভাঙচুর করে তিনি যে সমস্ত গরিব মানুষের এই ক্ষতি করলেন, তার দাম কি তিনি দিতে পারবেন? এবার সেই প্রশ্ন তুলে ধরেই মুখ্যমন্ত্রীকে আক্রমণ করলেন বিপ্লব দেব।
এদিন বেহালার সখের বাজারে বিজেপির সভা মঞ্চ পুড়িয়ে দেওয়ার ঘটনায় ত্রিপুরার প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী তথা বিজেপি সাংসদ বিপ্লব দেবকে একটি প্রশ্ন করা হয়। আর সেই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, “বিনাশ কালে বিপরীত বুদ্ধি। এর জন্য গরীব মানুষ, যে ডেকোরেটর আছেন, তার চেয়ার, টেবিল এই সমস্ত ভেঙেছে। এগুলো সব ডেকোরেটরের। কাউকে চাকরি দেওয়ার মুরোদ তো নেই মমতা ব্যানার্জির। কিন্তু মানুষের রোজগার খাবার মুরোদ ওনার আছে। দাদাগিরি দেখাক, তো আসুক বিপ্লব দেবের সামনে।”