প্রিয়বন্ধু মিডিয়া রিপোর্ট- গতকালই রাজ্যে এসেছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ তার একটি সাংবাদিক বৈঠক করার কথা ছিলো। ইতিমধ্যেই শুরু হয়ে গিয়েছে সেই সাংবাদিক বৈঠক। তবে সেই সাংবাদিক বৈঠকে অমিত শাহের সঙ্গে যারা উপস্থিত রয়েছেন, সেই ছবি সামনে আসার পর একটা জিনিস আরও বেশি করে স্পষ্ট হয়ে গেল যে, বিজেপি একক বা ব্যক্তিনির্ভর দল নয়, এটা একটা সাংগঠনিক দল। আর এখানে সকলকে নিয়েই কাজ করা হয়। তাই তৃণমূলের মত পরিবার তান্ত্রিক দল বা সেই ভাবনাতে কোনোমতেই যে বিশ্বাস করে না বিজেপি, তা আরও একবার এই চিত্র সামনে আসার মধ্যে দিয়ে সকলের কাছে অত্যন্ত স্পষ্ট হয়ে গেল বলেই মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।
কিছুক্ষণ আগেই নিউটাউনের হোটেল থেকে রওনা হয়েছিলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। আর এর আগেও তিনি যখন রাজ্যে এসেছেন, তখনই তার সঙ্গে দেখা গিয়েছে, যিনি রাজ্য বিজেপি সভাপতির পদে দায়িত্ব রয়েছেন, সেই ব্যক্তিত্বকে এবং রাজ্যের বিরোধী দলনেতাকে। এবারেও সেই একই চিত্র সামনে এসেছিল। আর আজ সল্টলেকে বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে যে সাংবাদিক বৈঠক শুরু হয়েছে, সেখানে রাজ্য বিজেপির চার মুখকে অমিত শাহের সঙ্গে সেই সাংবাদিক বৈঠকে থাকতে দেখা গেল।
সূত্রের খবর, কিছুক্ষণ আগেই বিজেপির দলীয় কার্যালয়ে পৌঁছে গিয়েছেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ। যেখানে তার এক পাশে রয়েছেন রাজ্য বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য, আর অন্য পাশে রয়েছেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। পাশাপাশি সেই সাংবাদিক বৈঠকে রয়েছেন রাজ্য বিজেপি প্রাক্তন সভাপতি তথা কেন্দ্রীয় মন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার এবং আরও এক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী শান্তনু ঠাকুর। অর্থাৎ অমিত শাহ রাজ্য বিজেপির চার নেতাকে নিজের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে বসিয়ে সকলকে একটাই বার্তা দেওয়ার চেষ্টা করলেন যে, বিজেপি কোনো ব্যক্তি বাদে বিশ্বাসী নয়, এটা একটি সমষ্টিবদ্ধ রাজনৈতিক দল। যারা সকলকে নিয়ে কাজ করতে পছন্দ করে। তাই রাষ্ট্রবাদে বিশ্বাসী হয়েই যে আগামী দিনে সকলকে সঙ্গে নিয়েই তারা পশ্চিমবঙ্গের পরিবর্তনের ব্যাপারে সংকল্পবদ্ধ হবেন, সেই বার্তা এই চিত্রের মধ্যে দিয়ে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করলেন কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা।